নয়াদিল্লি, ৫ ফেব্রুয়ারি: আজ, বুধবার দিল্লিতে হয়ে গেল বিধানসভা নির্বাচন। এবার আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবারের দিকে নজর বিজেপি, আপ ও কংগ্রেস শিবিরের। গত ২৫ বছরের খরা কাটিয়ে নরেন্দ্র মোদির বিজেপি কি এবার দিল্লির মসনদে? নাকি ক্ষমতায় ফেরার হ্যাটট্রিক গড়বে কেজরিওয়ালের দল? তা নিয়েই এখন চলছে দড়ি টানাটানি। অন্যদিকে, কংগ্রেসের কাছে দিল্লি জয় আপাতত ‘দূরের পথ’। তবে লড়াই ছাড়তে রাজি নয় হাত শিবিরও।
Advertisement
আজ, দিনভর ভোটদানের পর বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫৭.৭০ শতাংশ। সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হয়েছে ভোটগ্রহণ। তারপর থেকেই সামনে আসছে একের পর এক এক্সিট পোলের ফলাফল। যা দেখে কিছুটা হলেও চাপে কেজরিওয়ালের শিবির। কারণ, একাধিক এক্সিট পোলের দাবি, কানঘেঁষা মার্জিনে দিল্লিতে আপকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে পদ্মশিবির। যদিও এখনই এই সমীক্ষায় পাত্তা দিতে রাজি নন আপ নেতারা।
উল্লেখ্য বিষয় হল, এর আগে দিল্লিতে ২০১৫, ২০২০ সালে টানা জয়লাভ করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আপ। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তাও লাভ করেন কেজরি। কিন্তু, এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। সম্প্রতি, দিল্লিতে আবগারি দুর্নীতি সম্পর্কিত আর্থিক কেলেঙ্কারির মামলায় জড়িয়েছেন আপ সুপ্রিমো। এমনকী তাকে জেলেও কাটাতে হয়েছে বেশ কয়েকমাস। এমন পরিস্থিতিতে জামিনে জেলমুক্তির পর আতিশীকে নতুন মুখ্যমন্ত্রী করে দল। ফলে, আপ-এর জন্যও এই নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অন্যদিকে, সুযোগ বুঝে কোমর কষে প্রস্তুতি সেরেছে বিজেপিও। হেভিওয়েট নেতাদের প্রচার থেকে শুরু করে দিল্লি দখলের হুঙ্কার, ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি কিছুই বাদ রাখেনি পদ্ম শিবির। তবে শেষ পর্যন্ত শেষ কথা বলবে জনতাই। তাঁদের রায় কোনদিকে, তা জানা যাবে ৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবারই। সেদিকে তাকিয়েই গোটা দেশবাসী।
উল্লেখ্য বিষয় হল, এর আগে দিল্লিতে ২০১৫, ২০২০ সালে টানা জয়লাভ করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আপ। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তাও লাভ করেন কেজরি। কিন্তু, এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। সম্প্রতি, দিল্লিতে আবগারি দুর্নীতি সম্পর্কিত আর্থিক কেলেঙ্কারির মামলায় জড়িয়েছেন আপ সুপ্রিমো। এমনকী তাকে জেলেও কাটাতে হয়েছে বেশ কয়েকমাস। এমন পরিস্থিতিতে জামিনে জেলমুক্তির পর আতিশীকে নতুন মুখ্যমন্ত্রী করে দল। ফলে, আপ-এর জন্যও এই নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অন্যদিকে, সুযোগ বুঝে কোমর কষে প্রস্তুতি সেরেছে বিজেপিও। হেভিওয়েট নেতাদের প্রচার থেকে শুরু করে দিল্লি দখলের হুঙ্কার, ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি কিছুই বাদ রাখেনি পদ্ম শিবির। তবে শেষ পর্যন্ত শেষ কথা বলবে জনতাই। তাঁদের রায় কোনদিকে, তা জানা যাবে ৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবারই। সেদিকে তাকিয়েই গোটা দেশবাসী।



