নয়াদিল্লি: কোনও যানবাহন ১৫ বছর বা তার বেশি পুরনো হলে পেট্রল পাম্প থেকে আর জ্বালানি মিলবে না। রাজধানীতে দূষণ রোধে এমনই সিদ্ধান্ত নিল দিল্লির বিজেপি সরকার। জানা গিয়েছে, ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হচ্ছে এই নয়া নির্দেশিকা। শনিবার একথা ঘোষণা করলেন দিল্লির পরিবেশমন্ত্রী মনজিন্দর সিং সিরসা।
Advertisement
দিল্লির মাথাব্যথার অন্যতম কারণ দূষণ। শীতের শুরু থেকেই ধোঁয়ার চাদরে ঢেকে যায় রাজধানীর আকাশ। শনিবার দূষণ নিয়ন্ত্রণে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন মনজিন্দর। পুরনো যানবাহন বাতিলের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারে জোর দেওয়ার মতো বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানেই নব নিযুক্ত পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা পেট্রল পাম্পগুলিতে গ্যাজেট বসাতে চলেছি। সেগুলির সাহায্যে ১৫ বছরের পুরনো যানবাহন শনাক্ত করা হবে। সেইসব গাড়িকে আর জ্বালানি দেওয়া হবে না।’ একইসঙ্গে তিনি জানান, কেন্দ্রীয় পেট্রলিয়ম মন্ত্রককে এবিষয়ে অবগত করা হবে।
পুরনো গাড়িতে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধের পাশাপাশি একাধিক পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেন মনজিন্দর। তিনি জানান, বায়ু দূষণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে প্রত্যেকটি বহুতল, হোটেল ও বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে অ্যান্টি স্মগ গান রাখতে হবে। একইসঙ্গে তিনি জানান, আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে সিএনজি চালিত ৯০ শতাংশ সরকারি বাস তুলে নেওয়া হবে। তার পরিবর্তে রাস্তায় নাম বৈদ্যুতিক বাস।
প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন দিল্লি পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নিশ্চল সিংহানিয়া। তাঁর কথায়, ‘১৫ বছরের বেশি পুরনো যানবাহনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। অনেক ক্ষেত্রেই কিছু গাড়ির দূষণবিধি সংক্রান্ত শংসাপত্র থাকে না। আমাদের কাছে এমন ব্যবস্থা আছে যার মাধ্যমে সেই সব গাড়ির নম্বরের ছবি তোলা যায়। তারপর সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিককে সতর্ক করা হয়। আশা করি, ১৫ বছরের বেশি পুরনো গাড়ি শনাক্ত করার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা কাজে লাগানো যেতে পারে।’
পুরনো গাড়িতে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধের পাশাপাশি একাধিক পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেন মনজিন্দর। তিনি জানান, বায়ু দূষণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে প্রত্যেকটি বহুতল, হোটেল ও বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে অ্যান্টি স্মগ গান রাখতে হবে। একইসঙ্গে তিনি জানান, আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে সিএনজি চালিত ৯০ শতাংশ সরকারি বাস তুলে নেওয়া হবে। তার পরিবর্তে রাস্তায় নাম বৈদ্যুতিক বাস।
প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন দিল্লি পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নিশ্চল সিংহানিয়া। তাঁর কথায়, ‘১৫ বছরের বেশি পুরনো যানবাহনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। অনেক ক্ষেত্রেই কিছু গাড়ির দূষণবিধি সংক্রান্ত শংসাপত্র থাকে না। আমাদের কাছে এমন ব্যবস্থা আছে যার মাধ্যমে সেই সব গাড়ির নম্বরের ছবি তোলা যায়। তারপর সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিককে সতর্ক করা হয়। আশা করি, ১৫ বছরের বেশি পুরনো গাড়ি শনাক্ত করার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা কাজে লাগানো যেতে পারে।’



