নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দিল্লি বিধানসভার ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পরেই বুথ ফেরত সমীক্ষার ফলাফলে ইঙ্গিত মিলেছে, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে চলেছে আপ এবং বিজেপির মধ্যে। শুক্রবার আপ এবং বিজেপি— দু’দলই দাবি করেছে, দিল্লিতে ক্ষমতায় আসছে তারাই। আপের দাবি, তাদের বিরুদ্ধে যে লাগাতার ‘অপপ্রচার’, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ চালিয়ে গিয়েছে বিজেপি, তার জবাব দিল্লিবাসী গত ৫ ফেব্রুয়ারিই দিয়েছেন। তাই জনতার রায়ে নিজেকে ‘সৎ’ প্রমাণ করে ফের দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের শপথ নেওয়া সময়ের অপেক্ষা মাত্র। অন্যদিকে, বিজেপির দাবি, কেজরিওয়াল সরকারের মুখোশ ইতিমধ্যেই খুলে গিয়েছে। দিল্লির আমআদমি আর আপকে ভরসা করে না। বিশ্বাস অনেক দূর কি বাত। তাই ২৭ বছর পরে গেরুয়া শিবিরেরই রাজকীয় প্রত্যাবর্তন হতে চলেছে আজ, শনিবার। কংগ্রেস অবশ্য ঘুণাক্ষরেও ক্ষমতায় ফেরার দাবি করছে না!
Advertisement
এদিন নয়াদিল্লির দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ই হোক, কিংবা পণ্ডিত পান্থ মার্গে দলের প্রদেশ দপ্তর—সর্বত্রই ব্যস্ততা ছিল তুঙ্গে। আজ শনিবার ভোটের ফল প্রকাশ ইস্যুতে ‘প্রস্তুতি’ সেরে রাখতে উদ্যোগী হয়েছে সব পক্ষই। কাউন্টিং সুপারভাইজার, কাউন্টিং অ্যাসিস্ট্যান্ট, মাইক্রো অবর্জাভার সহ প্রায় পাঁচ হাজার কর্মী আজ, শনিবার ভোট গণনা প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন বলে ইতিমধ্যেই জানিয়েছে দিল্লির নির্বাচন কমিশন। অন্যদিকে, এই নির্বাচনী আবহে গা সেঁকতে তৎপর হয়েছে সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠনগুলিও। দিল্লি ভোটের ফলাফল শুধুমাত্র প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে তারা। আগামী সপ্তাহ থেকেই দেশজুড়ে মোদি বিরোধী প্রচার আন্দোলন কর্মসূচি আরও জোরদার করতে চলেছে তারা।



