নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: সোশ্যাল মিডিয়ায় দল বিরোধী কোনও পোস্ট করা যাবে না। আর পোস্ট করলেই কড়া শাস্তি। নতুন বছর শুরুর আগেই দলীয় নেতা-কর্মীদের বার্তা দিল জেলা নেতৃত্ব। ইতিমধ্যেই দলের অন্দরে নেতা-কর্মীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশকিছু পোস্ট নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের কথায়, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দলবিরোধী কাজে রাশ টানতে চাইছে দল। সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খোলা নিয়ে ক্ষুব্ধ তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। দল বা ব্লক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থাকলে, দলের অন্দরেই আলোচনা করে মিটিয়ে নেওয়ার নিদান দেওয়া হচ্ছে। না হলে দল থেকে সাসপেন্ডও হতে পারেন বিক্ষুব্ধ নেতা। ইতিমধ্যেই দলের অভ্যন্তরীণ মিটিংয়ে এনিয়ে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
এদিন জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, আমাদের লক্ষ্য আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও লাগাতার প্রচার করা হবে। তারজন্য এক্সপার্টরা কাজ করবেন। এখন থেকেই তার প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দল বিরোধী কোনও কাজ করলেই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সেই নেতা বা কর্মী যে পদেই থাকুন না কেন। দোষ করলে কেউ ছাড় পাবে না। মিটিংয়ে একথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তোলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। সেই সময় থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার ব্যাপক হারে বাড়তে শুরু করে। দেশজুড়ে বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারে ব্যাপক সাড়াও পাওয়া গিয়েছিল। এমনকি ভোট বাক্সেও তার প্রভাব পড়ে। সেই সময় কোটি কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হয়েছিল বিজেপির উন্নতমানের আইটি সেল। বর্তমানে রাজনৈতিক প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। পিছিয়ে নেই তৃণমূলও। গত পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনেও তৃণমূলের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার চালানো হয়। তার প্রভাবও পড়ে ভোট বাক্সে।
জানা গিয়েছে, এখন গ্রামীণ এলাকার তৃণমূল নেতা-কর্মীরাও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে পটু হয়ে উঠেছেন। অনেক সময় নেতাদের দল বিরোধী পোস্টে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বকে। তার প্রভাব পড়ে ভোট বাক্সে। আগের বেশকিছু নির্বাচনে এমনই নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। সেকথা মাথায় রেখেই সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টের ক্ষেত্রে কড়া হচ্ছে জেলা নেতৃত্ব।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকার বহু নেতা সোশ্যাল মিডিয়ায় দল বিরোধী পোস্ট করছেন। বেশকিছুদিন আগেই এক বিধায়ক ঘনিষ্ঠের কুরুচিকর পোস্ট ঘিরে বেশ অস্বস্তিতে পড়ে জেলা নেতৃত্ব। এছাড়াও গ্রামীণ এলাকায় গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। যা দলবিরোধী কাজ। কারও কোনও অভিযোগ থাকলে দলকে লিখিত আকারে দিতে হবে। এছাড়া বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে বেশি তুলে ধরতে হবে।
এদিন জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ রফিক বলেন, জেলার মিটিংয়ে আমাদের স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে দল বিরোধী কোনও পোস্ট করা যাবে না। সকলকেই সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। জেলায় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার আরও বাড়াতে হবে।
তবে এনিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, তৃণমূল করতে গেলে প্রধান শর্ত হচ্ছে শৃঙ্খলাভঙ্গ করতে হবে। আমাদের প্রশ্ন কে শাস্তি দেবে। এই দলে শাস্তি দেওয়া শুরু হলে দলটাই উঠে যাবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তোলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। সেই সময় থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার ব্যাপক হারে বাড়তে শুরু করে। দেশজুড়ে বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারে ব্যাপক সাড়াও পাওয়া গিয়েছিল। এমনকি ভোট বাক্সেও তার প্রভাব পড়ে। সেই সময় কোটি কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হয়েছিল বিজেপির উন্নতমানের আইটি সেল। বর্তমানে রাজনৈতিক প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। পিছিয়ে নেই তৃণমূলও। গত পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনেও তৃণমূলের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার চালানো হয়। তার প্রভাবও পড়ে ভোট বাক্সে।
জানা গিয়েছে, এখন গ্রামীণ এলাকার তৃণমূল নেতা-কর্মীরাও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে পটু হয়ে উঠেছেন। অনেক সময় নেতাদের দল বিরোধী পোস্টে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বকে। তার প্রভাব পড়ে ভোট বাক্সে। আগের বেশকিছু নির্বাচনে এমনই নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। সেকথা মাথায় রেখেই সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টের ক্ষেত্রে কড়া হচ্ছে জেলা নেতৃত্ব।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকার বহু নেতা সোশ্যাল মিডিয়ায় দল বিরোধী পোস্ট করছেন। বেশকিছুদিন আগেই এক বিধায়ক ঘনিষ্ঠের কুরুচিকর পোস্ট ঘিরে বেশ অস্বস্তিতে পড়ে জেলা নেতৃত্ব। এছাড়াও গ্রামীণ এলাকায় গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। যা দলবিরোধী কাজ। কারও কোনও অভিযোগ থাকলে দলকে লিখিত আকারে দিতে হবে। এছাড়া বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে বেশি তুলে ধরতে হবে।
এদিন জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ রফিক বলেন, জেলার মিটিংয়ে আমাদের স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে দল বিরোধী কোনও পোস্ট করা যাবে না। সকলকেই সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। জেলায় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার আরও বাড়াতে হবে।
তবে এনিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, তৃণমূল করতে গেলে প্রধান শর্ত হচ্ছে শৃঙ্খলাভঙ্গ করতে হবে। আমাদের প্রশ্ন কে শাস্তি দেবে। এই দলে শাস্তি দেওয়া শুরু হলে দলটাই উঠে যাবে।



