সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও সাধারণ সদস্যও নন। তৃণমূল দলের কোন পদেও নেই। ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটে বিজেপির টিকিটে জেতার পর শুধু তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর যতদিন যাচ্ছে ততই আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছের হয়ে উঠছেন। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী সুমনবাবুকে দলের ভোটার তালিকা মনিটরিং কমিটির সদস্য করায় তা আরও একবার প্রমাণ হল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
Advertisement
প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী ভোটার তালিকা মনিটরিং কমিটির সদস্য করেছেন দলের জেলা সভাপতি রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশচিক বরাইককেও। কিন্তু রাজনৈতিক মহল বলছে, প্রকাশচিক বরাইক দলের ভোটার তালিকা মনিটরিং কমিটিতে থাকবেন এটা তো স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু নেত্রী সুমনবাবুকে দলের ওই মনিটরিং কমিটির সদস্য করায় জেলার রাজনীতিতে চর্চা শুরু হয়েছে।
বিজেপির টিকিটে জিতে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর সুমনবাবু আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান করা হয়। পরে তাঁকে বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটিরও চেয়ারম্যান করা হয়। গত ২২ জানুয়ারী প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সুমনবাবু অভিযোগ করেন বক্সার জঙ্গলে ঢুকতে দেদার টাকা নেওয়া হচ্ছে। তারপরেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জঙ্গলে ঢোকার প্রবেশ মূল্য তুলে দেওয়া হয়েছে।
এবার সুমনকে দলনেত্রী দলের ভোটার তালিকা মনিটরিং কমিটির সদস্য করলেন। জেলার রাজনৈতিক মহল বলছে, তৃণমূলে যোগ দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে সুমনবাবু যে মুখ্যমন্ত্রীর অনেকটাই আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন এই ঘটনা তারই প্রমাণ। এনিয়ে জেলা তৃণমূলের অন্দরেও চর্চা শুরু হয়েছে।
তাহলে কি ছাব্বিশের নির্বাচনে আলিপুরদুয়ারে তৃণমূলের প্রার্থী সুমন কাঞ্জিলাল? যদিও এনিয়ে জেলা তৃণমূলের কোনও নেতাই মুখ খুলতে নারাজ। আর সুমনবাবু বলেন, বিজেপি ভোটার তালিকায় ভূতুড়ে ভোটার ঢুকিয়ে মহারাষ্ট দিল্লির মতো বাংলাতেও জিততে চায়। মুখ্যমন্ত্রী নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে প্রমাণ দিয়ে সেটা পরিষ্কার করে দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী আমাকে রাজ্যব্যাপী দলের ভোটার তালিকা মনিটরিং কমিটির সদস্য করায় আমার দায়িত্ব বেড়ে গেল। জেলায় ফিরে গিয়েই সেই কাজে নেমে পড়ব।
বিজেপির টিকিটে জিতে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর সুমনবাবু আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান করা হয়। পরে তাঁকে বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটিরও চেয়ারম্যান করা হয়। গত ২২ জানুয়ারী প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সুমনবাবু অভিযোগ করেন বক্সার জঙ্গলে ঢুকতে দেদার টাকা নেওয়া হচ্ছে। তারপরেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জঙ্গলে ঢোকার প্রবেশ মূল্য তুলে দেওয়া হয়েছে।
এবার সুমনকে দলনেত্রী দলের ভোটার তালিকা মনিটরিং কমিটির সদস্য করলেন। জেলার রাজনৈতিক মহল বলছে, তৃণমূলে যোগ দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে সুমনবাবু যে মুখ্যমন্ত্রীর অনেকটাই আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন এই ঘটনা তারই প্রমাণ। এনিয়ে জেলা তৃণমূলের অন্দরেও চর্চা শুরু হয়েছে।
তাহলে কি ছাব্বিশের নির্বাচনে আলিপুরদুয়ারে তৃণমূলের প্রার্থী সুমন কাঞ্জিলাল? যদিও এনিয়ে জেলা তৃণমূলের কোনও নেতাই মুখ খুলতে নারাজ। আর সুমনবাবু বলেন, বিজেপি ভোটার তালিকায় ভূতুড়ে ভোটার ঢুকিয়ে মহারাষ্ট দিল্লির মতো বাংলাতেও জিততে চায়। মুখ্যমন্ত্রী নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে প্রমাণ দিয়ে সেটা পরিষ্কার করে দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী আমাকে রাজ্যব্যাপী দলের ভোটার তালিকা মনিটরিং কমিটির সদস্য করায় আমার দায়িত্ব বেড়ে গেল। জেলায় ফিরে গিয়েই সেই কাজে নেমে পড়ব।



