নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকায় উন্নয়নের নিরিখে সবার শেষে রয়েছে বিজেপি পরিচালিত শহিদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতি। ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষ শেষ হতে আর মাত্র তিন মাস বাকি। অথচ ওই পঞ্চায়েত সমিতি ২কোটি ৩১লক্ষ টাকার মধ্যে এখনও ৯৭লক্ষ ৬০হাজার টাকা খরচই করতে পারেনি। ২০২৩ সালে বোর্ড গঠনের পর থেকেই বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্বে পঞ্চায়েত সমিতির মাধ্যমে উন্নয়নের কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। অভিযোগ, দলেরই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সঙ্গীতা আদক মাইতির সঙ্গে সতীনের মতো আচরণ করে বিজেপি নেতৃত্ব। পদ্মপার্টির এই ঝামেলায় ব্লকে উন্নয়নের কাজে প্রভাব পড়ছে।
Advertisement
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় প্রায় ৫২টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং পাঁচটি পঞ্চায়েত সমিতি পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচে পিছিয়ে পড়েছে। পঞ্চায়েত সমিতির মধ্যে সবার পিছনে রয়েছে শহিদ মাতঙ্গিনী। এছাড়াও পাঁশকুড়া পঞ্চায়েত সমিতির পারফরমেন্স খারাপ। চলতি আর্থিক বছরে পাঁশকুড়া পঞ্চায়েত সমিতি পঞ্চদশ অর্থ কমিশন থেকে ২কোটি ৪৭লক্ষ টাকা পেয়েছিল। এখনও ৯০লক্ষ ৬০হাজার টাকা পড়ে রয়েছে। এছাড়াও কোলাঘাট, রামনগর-২ এবং নন্দকুমার পঞ্চায়েত সমিতি পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচে পিছিয়ে। কোলাঘাট ব্লকে ৬৪লক্ষ টাকা পড়ে রয়েছে। রামনগর-২ ব্লক পঞ্চদশ অর্থ কমিশনে ১কোটি ২২লক্ষ টাকা পেয়েছিল। তারমধ্যে পড়ে আছে ২৭লক্ষ ৪০হাজার টাকা। নন্দকুমার ব্লকে উন্নয়নের জন্য ২কোটি ৩৮লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল। এখনও ৫২লক্ষ টাকা খরচ হয়নি।
ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের মাধ্যমে এলাকার উন্নয়নের জন্য অর্থ কমিশনের টাকা দেওয়া হয়। জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি এবং পঞ্চায়েত নিজের এলাকায় পরিকাঠামো উন্নয়নে ওই টাকা খরচ করে। ৩০ডিসেম্বর পর্যন্ত এই জেলায় গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে ৭৫.৮০ শতাংশ টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু, ২২৩টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ৫২টির পারফরমেন্স খারাপ। পঞ্চায়েত সমিতি স্তরে খরচের হার ৮৪.৮৭শতাংশ। যদিও পাঁচ-ছ’টি পঞ্চায়েত সমিতির পারফরমেন্স সন্তোষজনক নয়। জেলা পরিষদ এপর্যন্ত ৪৮.৫৮শতাংশ টাকা খরচ করতে পেরেছে। গত ২৪ ডিসেম্বর জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজীর উপস্থিতিতে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের প্রোগ্রেস রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা হয়। জেলাশাসক বলেন, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনে প্রায় ৫২টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং পাঁচ-ছ’টি পঞ্চায়েত সমিতির পারফরমেন্স সন্তোষজনক নয়। বিডিওদের এনিয়ে উদ্যোগী হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শহিদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী সঙ্গীতাদেবী বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির পাঁচটি অর্থ স্থায়ী সমিতির মিটিং ভণ্ডুল হয়েছে। অভ্যন্তরীণ ঝামেলা উন্নয়নের কাজে কিছুটা প্রভাব ফেলেছে। তবে এখন কাজে গতি আনা হয়েছে। আশা করি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো টাকার কাজ হয়ে যাবে।
ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের মাধ্যমে এলাকার উন্নয়নের জন্য অর্থ কমিশনের টাকা দেওয়া হয়। জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি এবং পঞ্চায়েত নিজের এলাকায় পরিকাঠামো উন্নয়নে ওই টাকা খরচ করে। ৩০ডিসেম্বর পর্যন্ত এই জেলায় গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে ৭৫.৮০ শতাংশ টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু, ২২৩টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ৫২টির পারফরমেন্স খারাপ। পঞ্চায়েত সমিতি স্তরে খরচের হার ৮৪.৮৭শতাংশ। যদিও পাঁচ-ছ’টি পঞ্চায়েত সমিতির পারফরমেন্স সন্তোষজনক নয়। জেলা পরিষদ এপর্যন্ত ৪৮.৫৮শতাংশ টাকা খরচ করতে পেরেছে। গত ২৪ ডিসেম্বর জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজীর উপস্থিতিতে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের প্রোগ্রেস রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা হয়। জেলাশাসক বলেন, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনে প্রায় ৫২টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং পাঁচ-ছ’টি পঞ্চায়েত সমিতির পারফরমেন্স সন্তোষজনক নয়। বিডিওদের এনিয়ে উদ্যোগী হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শহিদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী সঙ্গীতাদেবী বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির পাঁচটি অর্থ স্থায়ী সমিতির মিটিং ভণ্ডুল হয়েছে। অভ্যন্তরীণ ঝামেলা উন্নয়নের কাজে কিছুটা প্রভাব ফেলেছে। তবে এখন কাজে গতি আনা হয়েছে। আশা করি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো টাকার কাজ হয়ে যাবে।



