সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গত ২৩ জানুয়ারি থেকে জঙ্গলে ঢোকার প্রবেশমূল্য তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে জঙ্গলের দ্বার আগের থেকে এখন অনেকটাই অবাধ। ফলে এই সুযোগে জঙ্গলে চোরাশিকারের ঘটনার আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণে দোলের দিন বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প ও জলদাপাড়া দুই জঙ্গলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বনদপ্তর ও জেলা পুলিস প্রশাসন।
Advertisement
কিন্তু দোল উৎসবে কেন এই বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা। তাহলে কী গোয়েন্দা সূত্রে দোল উৎসবে চোরাশিকারের কোনও ঘটনা হতে পারে জলদাপাড়া বা বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে? রাজ্যের বন্যপ্রাণ শাখার উত্তরবঙ্গের মুখ্য বনপাল ভাস্কর জেভি বলেন, চোরাশিকারের ঘটনা হতে পারে গোয়েন্দা সূত্রে এরকম কোনও খবর নেই। তবে দোলে বিশেষ একটি সম্প্রদায়ের মানুষের শিকার করার রেওয়াজ আছে। সেই কারণেই দোল উৎসবে জলদাপাড়া ও বক্সার জঙ্গলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
জেলার পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশীও বলেন, বনদপ্তরের পাশাপাশি দোলে দুই জঙ্গলের নিরাপত্তায় পুলিসেরও বিশেষ নজরদারি থাকবে। সেই মতো নজরদারির নকশা তৈরির কাজ চলছে জোরকদমে।
এবার জঙ্গলে ঢোকার অবাধ সুযোগ রয়েছে। তাই উত্তরবঙ্গের দুই জঙ্গলে বন্যপ্রাণী চোরাশিকারের ঘটনা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অতীতে জলদাপাড়ায় গন্ডার চোরাশিকারের একাধিক ঘটনা রয়েছে। অতীতে বক্সার জঙ্গলেও হাতির দাঁত পাচারের একাধিক ঘটনা রয়েছে। তাই বনদপ্তর অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে দোলে দুই জঙ্গলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জেলার পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশীও বলেন, বনদপ্তরের পাশাপাশি দোলে দুই জঙ্গলের নিরাপত্তায় পুলিসেরও বিশেষ নজরদারি থাকবে। সেই মতো নজরদারির নকশা তৈরির কাজ চলছে জোরকদমে।
এবার জঙ্গলে ঢোকার অবাধ সুযোগ রয়েছে। তাই উত্তরবঙ্গের দুই জঙ্গলে বন্যপ্রাণী চোরাশিকারের ঘটনা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অতীতে জলদাপাড়ায় গন্ডার চোরাশিকারের একাধিক ঘটনা রয়েছে। অতীতে বক্সার জঙ্গলেও হাতির দাঁত পাচারের একাধিক ঘটনা রয়েছে। তাই বনদপ্তর অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে দোলে দুই জঙ্গলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।



