নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: চিকিৎসকের সই নকল করে জাল প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট করার অভিযোগ। সার্টিফিকেট রি-ইস্যু করার সময় তা ধরা পড়ল মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। জাল সার্টিফিকেটের কথা জানতে পেরে বহরমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন হাসপাতাল সুপার। পুলিস মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, পুরনো প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেটগুলির আধার বায়োমেট্রিকের সঙ্গে মিলিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে। নিয়মমাফিক রানিতলার বাসিন্দা এক কিশোরের প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেটের সঙ্গে আধার বায়োমেট্রিক লিঙ্ক করার সময় সার্টিফিকেট নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন চিকিৎসকরা। ওই শংসাপত্রে যে চিকিৎসকের সই রয়েছে, সেই চিকিৎসক নিজেই পরীক্ষা করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, ওই সই তাঁর নয়। মেডিক্যালের সুপারকে তিনি বিষয়টি জানাতেই সুপার থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। বহরমপুর থানার এক পুলিস অফিসার বলেন, আমরা হাসপাতালের এমএসভিপির কাছ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছি। সার্টিফিকেটটি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। ওই নকল সার্টিফিকেট কোথা থেকে জোগাড় করা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখছি আমরা। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নকল প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট এলাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা দিয়ে জোগাড় করেছিলেন ওই কিশোরের মা। বুধবার পুনরায় সার্টিফিকেট পরীক্ষা করতেই ধরা পড়ে যায়, সেটি সম্পূর্ণ জাল। অবৈধভাবে চিকিৎসকের সই নকল করে সার্টিফিকেটটি তৈরি করা হয়েছে বলেই মনে করছে পুলিস আধিকারিকেরা। হাসপাতালের এমএসভিপি অনাদি রায়চৌধুরী বলেন, এদিন আধারের বায়মেট্রিকের সঙ্গে মিলিয়ে প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট রি-ইস্যু করার সময়ে আমরা বিষয়টি ধরতে পারি। ওই সার্টিফিকেটে যে চিকিৎসকের সই ছিল, এদিন তিনিই সার্টিফিকেট পরীক্ষা করতে গিয়ে চমকে ওঠেন। সেটি তাঁর সই নয় বলে তিনি জানিয়েছেন। পাশাপাশি হাসপাতালের রেজিস্ট্রারে ওই সার্টিফিকেট ইস্যু করার কোনও তথ্য নেই।



