নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: আর জি কর কাণ্ড নিয়ে যখন উত্তাল রাজ্য, তখন পুলিসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ডাক দিয়েছিল নেটিজেনদের একাংশ। গঠনমূলক সমালোচনার বদলে এক জখম পুলিসকর্মীর ছবিকে হাতিয়ার করে শুরু হয়েছিল জয়োল্লাস, সমাজমাধ্যমে স্লোগান উঠছিল পুলিসকর্মীদের মেয়েদের নিশানা করে। সেই পুলিসই এবার এগিয়ে এল ডাক্তারি পড়ুয়াদের আত্মরক্ষার পাঠ দিতে। রাজ্যের মধ্যে সম্ভবত প্রথম পুরুলিয়া জেলা পুলিসের হাত ধরে শুরু হল এধরনের উদ্যোগ।
Advertisement
গত আগস্টে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মধ্যে একজন ডাক্তারি পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। সেই মামলা এখন বিচারাধীন। তবে, ওই ঘটনার পর থেকে রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে রাজ্য। কিন্তু নিরাপত্তা যতই আঁটোসাঁটো করা হোক না কেন, মানুষে মানসিকতা যতদিন না বদলাচ্ছে, ততদিন এধরনের ঘটনা যে ঘটবে না, সেই নিশ্চয়তা কি কেউ দিতে পারবে। তাই যাঁরা এ ধরনের ঘটনার শিকার হচ্ছেন তাঁদেরই যদি আত্মরক্ষার পাঠ দেওয়া হয়, তাহলে হয়তো এধরনের ঘটনা অনেক কমবে বলে দাবি জেলা পুলিসের আধিকারিকদের।
প্রসঙ্গত, পুজোর আগে পুরুলিয়া জেলা পুলিসের উদ্যোগে বেলগুমা পুলিস লাইনে ‘প্রজেক্ট শক্তি’-র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। এই প্রকল্পের অধীনে জেলার সমস্ত থানা এলাকায় মোট ২০ জন করে মেয়ের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই প্রশিক্ষণ চলছে বলে দাবি পুলিসের। সেদিনই জেলার পুলিস সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় শুনিয়েছিলেন, ‘শক্তিশালী সমাজ গড়তে গেলে শুধুমাত্র পুলিস ব্যবস্থাকেই শক্তিশালী হলে চলবে না, বরং সমাজকেও শক্তিশালী হতে হবে। আমি মনে করি, আমরা যাঁদের সুরক্ষায় নিয়োজিত, তাঁদেরকেই যদি আত্মরক্ষার পাঠ না দিতে পারি, তাহলে কোথাও একটা ফাঁক থেকে যায়। তাই সমস্ত অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য মেয়েদের আত্মরক্ষার জন্য বিভিন্ন কলাকৌশল শেখারও প্রয়োজন।’
সেই প্রকল্পেরই অঙ্গ হিসাবে পুরুলিয়া দেবেন মাহাত মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদেরও আত্মরক্ষার পাঠ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা পুলিস। এদিন পুরুলিয়ার হাতোয়ারা ক্যাম্পাসে পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ শিবিরের সূচনা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে জেলার পুলিস সুপার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিস সুপার কল্যাণ সিংহ রায়, ডিএসপি (ডিএনটি) শাশ্বতী শ্বেতা সামন্ত, মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সব্যসাচী দাস সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। পুলিস সুপার বলেন, ‘আত্মরক্ষার পাঠ শুধুমাত্র নিজেকে রক্ষার জন্যই নয় বরং জীবনের দর্শনকেও পরিবর্তন করে। আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।’ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে পুলিসের এই উদ্যোগ আলাদা প্রশংসার দাবি রাখে। আত্মারক্ষর পাঠ অত্যন্ত জরুরি। শুধু ডাক্তারি পড়ুয়াদের নয়, সবারই শেখা উচিত। তবে পুলিসের এদিনের উদ্যোগ একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করল বলেই দাবি জেলাবাসীর একাংশের।
প্রসঙ্গত, পুজোর আগে পুরুলিয়া জেলা পুলিসের উদ্যোগে বেলগুমা পুলিস লাইনে ‘প্রজেক্ট শক্তি’-র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। এই প্রকল্পের অধীনে জেলার সমস্ত থানা এলাকায় মোট ২০ জন করে মেয়ের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই প্রশিক্ষণ চলছে বলে দাবি পুলিসের। সেদিনই জেলার পুলিস সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় শুনিয়েছিলেন, ‘শক্তিশালী সমাজ গড়তে গেলে শুধুমাত্র পুলিস ব্যবস্থাকেই শক্তিশালী হলে চলবে না, বরং সমাজকেও শক্তিশালী হতে হবে। আমি মনে করি, আমরা যাঁদের সুরক্ষায় নিয়োজিত, তাঁদেরকেই যদি আত্মরক্ষার পাঠ না দিতে পারি, তাহলে কোথাও একটা ফাঁক থেকে যায়। তাই সমস্ত অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য মেয়েদের আত্মরক্ষার জন্য বিভিন্ন কলাকৌশল শেখারও প্রয়োজন।’
সেই প্রকল্পেরই অঙ্গ হিসাবে পুরুলিয়া দেবেন মাহাত মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদেরও আত্মরক্ষার পাঠ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা পুলিস। এদিন পুরুলিয়ার হাতোয়ারা ক্যাম্পাসে পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ শিবিরের সূচনা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে জেলার পুলিস সুপার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিস সুপার কল্যাণ সিংহ রায়, ডিএসপি (ডিএনটি) শাশ্বতী শ্বেতা সামন্ত, মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সব্যসাচী দাস সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। পুলিস সুপার বলেন, ‘আত্মরক্ষার পাঠ শুধুমাত্র নিজেকে রক্ষার জন্যই নয় বরং জীবনের দর্শনকেও পরিবর্তন করে। আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।’ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে পুলিসের এই উদ্যোগ আলাদা প্রশংসার দাবি রাখে। আত্মারক্ষর পাঠ অত্যন্ত জরুরি। শুধু ডাক্তারি পড়ুয়াদের নয়, সবারই শেখা উচিত। তবে পুলিসের এদিনের উদ্যোগ একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করল বলেই দাবি জেলাবাসীর একাংশের।



