নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: এক সময়ে বহু মানুষের শখ ছিল ডাকটিকিট জমানো। গোটা পৃথিবীতে দুষ্প্রাপ্য সব স্ট্যাম্প কোটি কোটি টাকায় বিক্রি হতো। আজকের মোবাইল সর্বস্য যুগে সেসব রূপকথা। পড়ুয়াদের মোবাইল অ্যাডিকশন দূর করার লক্ষ্যে বহরমপুরের ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেক্সটাইল টেকনোলজি কলেজে ‘পলাশীপেক্স ২০২৪’ নামে একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ভারতীয় ডাক বিভাগ। নবাবি মুলুক তো বটেই, গোটা দেশে ১৭৫৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত ব্যবহৃত পোস্টাল স্ট্যাম্প ও কভার দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে সেই প্রদর্শনী। প্রায় ২০০ বছরের ভারতের এক চলমান সময়ের সাক্ষ্য বহন করছে এইসব ডাক টিকিট ও পোস্টাল কভার।
Advertisement
ডাক বিভাগের কলকাতা রিজিয়নের পক্ষ থেকে আয়োজিত ওই প্রদর্শনীটির উদ্বোধন হয় শুক্রবার। চলবে আজ অবধি। শুক্রবার জেলার বিভিন্ন স্কুলের পড়ুয়ারা হাজির হয়েছিল প্রদর্শনীটি দেখতে।
এদিন আটটি স্পেশাল পোস্টাল কভারের উদ্বোধন করেন বিশিষ্টরা। ব্যাটেল অফ পলাশী, ব্যাটেল অফ বক্সার, সন্ন্যাসী আন্দোলন, স্বাধীনতার প্রথম যুদ্ধ নিয়ে চারটি পোস্টাল কভার বের হয়। পাশাপাশি ‘পার্টিশন অব বেঙ্গল অ্যান্ড ফ্লিপ টু স্বদেশি মুভমেন্ট’ এবং ‘সোশ্যাল রিফারমার্স অব বেঙ্গল’ শীর্ষক দু’টি স্পেশাল কভার প্রকাশ হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারকে নিয়ে বিশেষ কভারের উদ্বোধন হয়। পোস্টাল কভারেও জায়গা করে নিয়েছে নবাবি মুলুক মুর্শিদাবাদ। এদিন কাঠগোলা রাজবাড়ির একটি পোস্টাল কভারের উদ্বোধন করেন চিফ পোস্ট মাস্টার জেনারেল (কলকাতা রিজিয়ন) অশোক কুমার।
অশোকবাবু বলেন, মুর্শিদাবাদ জেলা ভারতের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বহু ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী এই জেলা। বিভিন্ন সময়ের ডাক টিকিটে সে সমস্ত ইতিহাস ধরা রয়েছে। স্মার্ট ফোনে সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন বেশিরভাগ কচিকাঁচারা মগ্ন। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে ভারতের ইতিহাস ও এই ইতিহাস প্রসিদ্ধ জেলার সম্পর্কে কিছুটা হলেও জ্ঞান সংগ্রহের জন্য এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি চিত্র প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। আমাদের আশা এতে তরুণ প্রজন্ম উপকৃত হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাডিকশন থেকে তাদের বের করে আনতেই হবে। এই ধরনের উদ্যোগ তাদের মধ্যে পোস্টাল স্ট্যাম্প সংগ্রহের ইচ্ছে বাড়াবে।
মুর্শিদাবাদ ডিভিশনের পোস্ট অফিস সুপারিন্টেনডেন্ট সমর গোলদার বলেন, জেলার বহু স্কুলের পড়ুয়া শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে এই প্রদর্শনী দেখতে হাজির হয়েছিল। এখানে বসে আঁকো প্রতিযোগিতায় বহু পড়ুয়ারা অংশ নেয়।
এদিন আটটি স্পেশাল পোস্টাল কভারের উদ্বোধন করেন বিশিষ্টরা। ব্যাটেল অফ পলাশী, ব্যাটেল অফ বক্সার, সন্ন্যাসী আন্দোলন, স্বাধীনতার প্রথম যুদ্ধ নিয়ে চারটি পোস্টাল কভার বের হয়। পাশাপাশি ‘পার্টিশন অব বেঙ্গল অ্যান্ড ফ্লিপ টু স্বদেশি মুভমেন্ট’ এবং ‘সোশ্যাল রিফারমার্স অব বেঙ্গল’ শীর্ষক দু’টি স্পেশাল কভার প্রকাশ হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারকে নিয়ে বিশেষ কভারের উদ্বোধন হয়। পোস্টাল কভারেও জায়গা করে নিয়েছে নবাবি মুলুক মুর্শিদাবাদ। এদিন কাঠগোলা রাজবাড়ির একটি পোস্টাল কভারের উদ্বোধন করেন চিফ পোস্ট মাস্টার জেনারেল (কলকাতা রিজিয়ন) অশোক কুমার।
অশোকবাবু বলেন, মুর্শিদাবাদ জেলা ভারতের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বহু ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী এই জেলা। বিভিন্ন সময়ের ডাক টিকিটে সে সমস্ত ইতিহাস ধরা রয়েছে। স্মার্ট ফোনে সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন বেশিরভাগ কচিকাঁচারা মগ্ন। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে ভারতের ইতিহাস ও এই ইতিহাস প্রসিদ্ধ জেলার সম্পর্কে কিছুটা হলেও জ্ঞান সংগ্রহের জন্য এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি চিত্র প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। আমাদের আশা এতে তরুণ প্রজন্ম উপকৃত হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাডিকশন থেকে তাদের বের করে আনতেই হবে। এই ধরনের উদ্যোগ তাদের মধ্যে পোস্টাল স্ট্যাম্প সংগ্রহের ইচ্ছে বাড়াবে।
মুর্শিদাবাদ ডিভিশনের পোস্ট অফিস সুপারিন্টেনডেন্ট সমর গোলদার বলেন, জেলার বহু স্কুলের পড়ুয়া শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে এই প্রদর্শনী দেখতে হাজির হয়েছিল। এখানে বসে আঁকো প্রতিযোগিতায় বহু পড়ুয়ারা অংশ নেয়।



