নিজস্ব প্রতিনিধি, চাপড়া (কলিঙ্গ): গ্রামের নাম ছিল সাধনি। তার পাশ দিয়েই এক ছোট নদী বয়ে যেত। গ্রামের অধিকাংশই মৎস্যজীবী। একবার সেই গ্রামে ডাকাত পড়ে। ডাকাতদের থেকে গ্রামকে রক্ষা করতে মাঠে নামেন মৎস্যজীবীরা। দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জেতেন মৎস্যজীবীরা। গ্রামের মানুষ তাঁদের যোদ্ধার সম্মান দিয়েছিলেন। সেই থেকেই গ্রামের নাম পাল্টে হয় কলিঙ্গ গ্রাম। গ্রামের উপর বয়ে চলা নদীর নামও হয় কলিঙ্গ। একসময়ে সেই এঁকেবেঁকে চলা ছোট নদীতে জল উপচে পড়ত। কিন্তু সেসব এখন অতীত। সেই স্রোতস্বিনী নদীর এখন মৃতপ্রায়। বিভিন্ন জায়গায় বাঁধালের কারণে নদী তার গতি হারিয়েছে। পলি পড়ে নদীর গভীরতাও কমেছে। বর্তমানে তা খালে পরিণত হয়েছে। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন নদীয়া জেলার পরিবেশবিদরা।
Advertisement
কৃষ্ণনগর শহর পেরিয়ে চাপড়া ব্লক। দৈয়ের বাজারের কাছে রাজ্য সড়কের ডানদিকে চলে গিয়েছে কলিঙ্গ পঞ্চায়েত— জেলার প্রত্যন্ত পঞ্চায়েতগুলোর একটি। যা বিজেপির হাতে রয়েছে। বর্তমানে গ্রামের অধিকাংশই চাষবাস করেন। এখন মৎসজীবীর সংখ্যা কমে গিয়েছে। কলিঙ্গ নদীর উপরেই ভর করে বহু মানুষের জীবিকা নির্বাহ করতেন। সেই নদী মাথাভাঙা নদীতে গিয়ে পড়েছে।
গ্রামে গিয়ে দেখা গেল, কচুরিপানার ভিড়ে গতি হারিয়েছে কলিঙ্গ নদী। তাছাড়া নদীজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বাঁধাল। গ্রামবাসীদের কথায়, আগে এই নদীতে অনেক মাছ পাওয়া যেত। এখন আর তা পাওয়া যায় না। গ্রামের বয়স্ক মানুষদের মুখেই শোনা গেল সেই ভয়ঙ্কর লড়াইয়ের কাহিনি। যে লড়াইয়ে ডাকাতদলকে কচুকাটা করে নদীর জলে ভাসিয়ে দিয়েছিল মৎস্যজীবীরা। তার পরেই সবাই গ্রামের নাম রাখল ‘কলিঙ্গ’। যার অর্থ হল যোদ্ধাদের গ্রাম।
নদীয়া জেলার পরিবেশবিদ সুপ্রতিম কর্মকার বলেন, ‘কলিঙ্গ নদীর সঙ্গে উপকথা জড়িয়ে আছে। কিন্তু সেই নদী এখন মৃতপ্রায়। নদী বক্ষের বিভিন্ন জায়গায় বাঁধাল তৈরি করা হয়েছে। যা নদীর পক্ষে ক্ষতিকারক।’
গ্রামে গিয়ে দেখা গেল, কচুরিপানার ভিড়ে গতি হারিয়েছে কলিঙ্গ নদী। তাছাড়া নদীজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বাঁধাল। গ্রামবাসীদের কথায়, আগে এই নদীতে অনেক মাছ পাওয়া যেত। এখন আর তা পাওয়া যায় না। গ্রামের বয়স্ক মানুষদের মুখেই শোনা গেল সেই ভয়ঙ্কর লড়াইয়ের কাহিনি। যে লড়াইয়ে ডাকাতদলকে কচুকাটা করে নদীর জলে ভাসিয়ে দিয়েছিল মৎস্যজীবীরা। তার পরেই সবাই গ্রামের নাম রাখল ‘কলিঙ্গ’। যার অর্থ হল যোদ্ধাদের গ্রাম।
নদীয়া জেলার পরিবেশবিদ সুপ্রতিম কর্মকার বলেন, ‘কলিঙ্গ নদীর সঙ্গে উপকথা জড়িয়ে আছে। কিন্তু সেই নদী এখন মৃতপ্রায়। নদী বক্ষের বিভিন্ন জায়গায় বাঁধাল তৈরি করা হয়েছে। যা নদীর পক্ষে ক্ষতিকারক।’



