Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ডাকাতি করেই নেতার অনুষ্ঠানে, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক মঙ্গলকোটে

ডাকাতি করেই নেতার অনুষ্ঠানে, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক মঙ্গলকোটে
  • ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: রাতে ডাকাতি করে পরেরদিন সকালে এক নেতার অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে যায় ডাকাত। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মঙ্গলকোটে শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। গোষ্ঠীর একদিকে রয়েছেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার। অন্য গোষ্ঠীকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এলাকার বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী। শনিবার পালিশগ্রামে একটি কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন শ্যামাপ্রসন্নবাবু। সেই কর্মসূচিতেই ওই ডাকাত হাজির ছিল বলে দলের একাংশ অভিযোগ করে। প্রমাণ হিসেবে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ভাইরাল করে। যদিও শ্যামাপ্রসন্নবাবু বলেন, ওইদিনের কর্মসূচিতে হাজার হাজার লোক এসেছিলেন। সবাইকে চেনা সম্ভব নয়। কেউ অপরাধ করলে পুলিস কড়া পদক্ষেপ নেবে। সেখানে হস্তক্ষেপ করা হবে না। যাদেরকে ডাকা হয়নি তাঁরাও ওই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলন। বিধায়ক বলেন, এধরনের কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের প্রশয় দেওয়া উচিত নয়। এধরনের কর্মসূচিতে ডাকলে তারা আরও বেশি উৎসাহ পেয়ে যাবে। এটা সত্যিই দুঃখজনক ঘটনা।
Advertisement
স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অনেকেই দাবি করছেন, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর মঙ্গলকোটে শান্তি বিরাজ করেছে। কিন্তু দু’পক্ষের টানাপোড়েনে অনেকেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন। সম্প্রতি দুই গোষ্ঠীর কোন্দল একাধিকবার প্রকাশ্যে এসেছে। সংঘর্ষও হয়েছে। দু’পক্ষই নিজেদের মতো করে ঘুঁটি সাজাচ্ছে। তবে কাটোয়ার ডাকাতির ঘটনায় এক দুষ্কৃতী গ্রেপ্তার হতেই অন্য পক্ষ তুরুপের তাস পেয়ে গিয়েছে। দলের এক নেতা বলেন, মঙ্গলকোট নিয়ে রিপোর্ট রাজ্যে পাঠানো হয়েছে। নেতৃত্ব সবকিছুই নজর রাখছে। সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, একটি পার্টি অফিসের দখল ঘিরেও দু’পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন চরমে ওঠে। পুলিসের বড় বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। কয়েকদিন আগে দলের হোর্ডিং পোড়ানোকে কেন্দ্র করেও উত্তেজনা ছড়ায়। দলের এক নেতা প্রকাশ্যে হুমকি দেন। দুই নেতা পুলিসকে হুমকি দেন। এক নেতার নামে পুলিস মামলা করেছে। এলাকার বাসিন্দারা বলেন, শীর্ষ নেতৃত্বের উচিত বিষয়টি কড়াভাবে মোকাবিলা করা।
সম্পর্কিত সংবাদ