নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: পুনর্বাসন ছাড়া কোনও দোকান ভাঙা যাবে না। মঙ্গলবার বৈঠকের পর পুরসভাকে উদ্দেশ্য করে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন জলপাইগুড়ির দিনবাজারের ব্যবসায়ীরা। এদিকে, ব্যবসায়ীদের হুমকিকে কার্যত পাত্তা না দিয়ে পুর কর্তৃপক্ষের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, দিনবাজারকে কোনওভাবেই জতুগৃহে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না। বেআইনি দোকান উচ্ছেদে অভিযান চলবেই। এই পরিস্থিতিতে জলপাইগুড়ি পুরসভার সঙ্গে দিনবাজারের ব্যবসায়ীদের একাংশের বিরোধ কার্যত প্রকাশ্যে চলে এল।
Advertisement
সোমবার দিনবাজারে পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান চালায় পুরসভা। ভেঙে দেওয়া হয় বেশকিছু বেআইনি দোকান। বাজারে যত বেআইনি দোকান রয়েছে, তা ব্যবসায়ীদের ২ জানুয়ারির মধ্যে ভেঙে ফেলতে বলা হয়। না হলে পুরসভা অভিযান চালিয়ে সব অবৈধ দোকান ভেঙে দেবে বলে জানিয়ে দিয়েছে। এরপরই প্রতিবাদে সরব হন ব্যবসায়ীদের একাংশ। এদিন একবেলা তাঁরা দোকান বন্ধ রাখেন। পরে বৈঠকে বসে দিনবাজার ব্যবসায়ী সমিতি। সেখানে অবশ্য একাংশের ব্যবসায়ী সরকারি জমি দখল করে তৈরি হওয়া দোকান সরিয়ে নেওয়ার পক্ষে মত দেন। বাজারের উন্নয়নে পুরসভা যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাকে স্বাগত জানান। কিন্তু আরএক অংশের ব্যবসায়ী দাবি করেন, দোকান ভাঙার আগে ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। আচমকা উচ্ছেদ অভিযান চালাবে পুরসভা, এটা মেনে নেওয়া হবে না।
যদিও ব্যবসায়ীদের একাংশের হুঁশিয়ারিতে পুরসভার পিছিয়ে আসার কোনও প্রশ্নই নেই বলে এদিন জানিয়ে দেন ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ২০১৭ সালের ৭ মে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে দিনবাজারে। শতাধিক দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল। ফলে দিনবাজারকে কোনওভাবেই আর জতুগৃহে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না। বেআইনি দোকান উচ্ছেদে সেখানে পুরসভা অভিযান চালাবেই। ভালো কাজ করতে গেলে কিছু বাধা আসবে। আমরা কোনও হুমকির কাছে মাথা নত করছি না।
ভিনরাজ্যের অনেকে এসে দিনবাজারে ব্যবসা করছেন। দেখতে চাইলে তাঁরা ভোটার কার্ড, আধার কার্ড দেখাতে পারছেন না বলে অভিযোগ। ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য, আধার, ভোটার কার্ড ছাড়া আমরা শহরে ভিনরাজ্যের কাউকে ব্যবসা করতে দেব না।
দিনবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক শরৎ মণ্ডল বলেন, আমরা পুরসভাকে সহযোগিতা করতে রাজি। কিন্তু পুরসভা যেভাবে আচমকা এসে দোকানপাট ভাঙছে, তা বাড়াবাড়ি। আমরা চাই, আলোচনার মাধ্যমে সবটা ঠিক হোক।
যদিও ব্যবসায়ীদের একাংশের হুঁশিয়ারিতে পুরসভার পিছিয়ে আসার কোনও প্রশ্নই নেই বলে এদিন জানিয়ে দেন ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ২০১৭ সালের ৭ মে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে দিনবাজারে। শতাধিক দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল। ফলে দিনবাজারকে কোনওভাবেই আর জতুগৃহে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না। বেআইনি দোকান উচ্ছেদে সেখানে পুরসভা অভিযান চালাবেই। ভালো কাজ করতে গেলে কিছু বাধা আসবে। আমরা কোনও হুমকির কাছে মাথা নত করছি না।
ভিনরাজ্যের অনেকে এসে দিনবাজারে ব্যবসা করছেন। দেখতে চাইলে তাঁরা ভোটার কার্ড, আধার কার্ড দেখাতে পারছেন না বলে অভিযোগ। ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য, আধার, ভোটার কার্ড ছাড়া আমরা শহরে ভিনরাজ্যের কাউকে ব্যবসা করতে দেব না।
দিনবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক শরৎ মণ্ডল বলেন, আমরা পুরসভাকে সহযোগিতা করতে রাজি। কিন্তু পুরসভা যেভাবে আচমকা এসে দোকানপাট ভাঙছে, তা বাড়াবাড়ি। আমরা চাই, আলোচনার মাধ্যমে সবটা ঠিক হোক।



