নিজস্ব প্রতিনিধি, রানিগঞ্জ: জবরদখল মুক্ত হল শহরের রাস্তা। যানজটের শহর রানিগঞ্জের ভোল বদল। জগন্নাথ ব্রিজ থেকে রাজবাড়ি মোড়। বাসস্টান্ড থেকে নেতাজী সুভাষ রোড। ফুটপাত দখল মুক্ত করে নজির গড়ল পুরসভা ও পুলিস। উচ্ছেদ অভিযানে বারবার অশান্তির ছবি ফুটে উঠেছে। তা হলেও সবকিছু হয়েছে ঠিকঠাকভাবে। সবমিলিয়ে রানিগঞ্জ জবরদখল মুক্ত করার পরিকল্পনা রাজ্যে মডেল হতে পারে। কয়েক হাজার ফুটপাত ব্যবসায়ীকে রাস্তা ছাড়া করা হলেও বড় অশান্তি হতে দেয়নি পুলিস। একই সঙ্গে তাঁদের পুনর্বাসন দেওয়ার ব্যবস্থা করে সবপক্ষের প্রশংসা কুড়িয়েছে পুরসভা। দীর্ঘদিন পর শহরের শ্রী ফেরায় খুশি সাধারণ মানুষ থেকে ব্যবসায়ী সকলেই।
Advertisement
রানিগঞ্জের বরো চেয়ারম্যান মোজ্জামেল শাহাজাদা বলেন, সকলের সহযোগিতায় এই কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। আমরা ইতিমধ্যেই ২ হাজার ৬০ জন ফুটপাত ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করেছি। তাঁদের পুনর্বাসন দিয়ে অন্যত্র ব্যবসা করার সুযোগ করে দেওয়া হবে।
উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে কয়েকদিন ধরেই উত্তাল শিল্পাঞ্চল। কুলটি থেকে দুর্গাপুর রেলের উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে অশান্ত হয়ে ওঠেছে এলাকা। বুলডোজার নিয়ে উচ্ছেদ করতে এসেও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে রেলকে। সেই শিল্পাঞ্চলেই উলটপুরান। পুনর্বাসনের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে শহরবাসীকে যানজট মুক্ত পরিবেশ দিয়ে সফল প্রশাসন।
রানিগঞ্জ শহরে যানজট সমস্যা প্রাচীন কাল থেকেই। পরে সেই সমস্যা আরও গভীর হয়। বাজারের এমজি রোড, সিআর রোডের ফুটপাত দোকানদাররা নিজেদের সামগ্রী রেখে দখল করে নেয়। রাস্তা দখল করে নেয় ফুটপাত ব্যবসায়ীরা। হাটতলাতেও ছিল একই ছবি। রানিগঞ্জের জগন্নাথ ব্রিজের উপরই সব্জি, ফল বিক্রেতারা ব্যবসা করতেন। যার জেরে ব্রিজের উপর তীব্র যানজট হতো। যে কোনও সময়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকত। রানিগঞ্জ থানা রোড, রামবাগান মোড়, সিয়ারসোল মোড় সর্বত্রই রাস্তা জবরদখল হওয়া যানজট মাথা চাড়া দিয়েছিল। সেই সব ব্যস্ত এলাকা থেকে রাস্তা দখল মুক্ত করতেই অভিযানে নামে পুলিস ও পুরসভা। প্রথমে ব্যবসায়ীদের বোঝায় পুলিস ও প্রশাসনের লোকজন। পরে মুক্ত করা হয় জবরদখল। রানিগঞ্জ থানার আইসি বিকাশ দত্ত বলেন, আমরা সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীকে সঙ্গে নিয়েই দখলদারদের বুঝিয়েছি। তাঁরা আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন।
রানিগঞ্জ ক্লথ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা সলীল সিংহ বলেন, আমরা এই পদক্ষেপের জন্য পুলিসকে ধন্যবাদ দিয়েছি। আমরা দাবি করেছি, বৃহস্পতিবার আমাদের মার্কেট বন্ধ থাকার দিনে ফুটপাত ব্যবসায়ীরা রাস্তা দখল করে যে ব্যবসা করে, তাও বন্ধ করা হোক।
রানিগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাসের চেয়ারম্যান অরুণ ভারতীয়া বলেন, প্রশাসনিক এই পদক্ষেপে আমরা খুশি। ব্যবসায়ীদের জন্য পুনর্বাসনের ব্যবস্থা হলে সবদিকেই সুবিধা হবে।
রানিগঞ্জ সিটিজেন ফোরামের কার্যকরী সভাপতি গৌতম ঘটক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই দাবি জানিয়ে আসছিলাম। মানুষের জীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছিল। রাস্তায় হাঁটার জায়গাটুকু ছিল না। এবার অন্তত যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্য ফিরবে।
উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে কয়েকদিন ধরেই উত্তাল শিল্পাঞ্চল। কুলটি থেকে দুর্গাপুর রেলের উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে অশান্ত হয়ে ওঠেছে এলাকা। বুলডোজার নিয়ে উচ্ছেদ করতে এসেও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে রেলকে। সেই শিল্পাঞ্চলেই উলটপুরান। পুনর্বাসনের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে শহরবাসীকে যানজট মুক্ত পরিবেশ দিয়ে সফল প্রশাসন।
রানিগঞ্জ শহরে যানজট সমস্যা প্রাচীন কাল থেকেই। পরে সেই সমস্যা আরও গভীর হয়। বাজারের এমজি রোড, সিআর রোডের ফুটপাত দোকানদাররা নিজেদের সামগ্রী রেখে দখল করে নেয়। রাস্তা দখল করে নেয় ফুটপাত ব্যবসায়ীরা। হাটতলাতেও ছিল একই ছবি। রানিগঞ্জের জগন্নাথ ব্রিজের উপরই সব্জি, ফল বিক্রেতারা ব্যবসা করতেন। যার জেরে ব্রিজের উপর তীব্র যানজট হতো। যে কোনও সময়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকত। রানিগঞ্জ থানা রোড, রামবাগান মোড়, সিয়ারসোল মোড় সর্বত্রই রাস্তা জবরদখল হওয়া যানজট মাথা চাড়া দিয়েছিল। সেই সব ব্যস্ত এলাকা থেকে রাস্তা দখল মুক্ত করতেই অভিযানে নামে পুলিস ও পুরসভা। প্রথমে ব্যবসায়ীদের বোঝায় পুলিস ও প্রশাসনের লোকজন। পরে মুক্ত করা হয় জবরদখল। রানিগঞ্জ থানার আইসি বিকাশ দত্ত বলেন, আমরা সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীকে সঙ্গে নিয়েই দখলদারদের বুঝিয়েছি। তাঁরা আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন।
রানিগঞ্জ ক্লথ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা সলীল সিংহ বলেন, আমরা এই পদক্ষেপের জন্য পুলিসকে ধন্যবাদ দিয়েছি। আমরা দাবি করেছি, বৃহস্পতিবার আমাদের মার্কেট বন্ধ থাকার দিনে ফুটপাত ব্যবসায়ীরা রাস্তা দখল করে যে ব্যবসা করে, তাও বন্ধ করা হোক।
রানিগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাসের চেয়ারম্যান অরুণ ভারতীয়া বলেন, প্রশাসনিক এই পদক্ষেপে আমরা খুশি। ব্যবসায়ীদের জন্য পুনর্বাসনের ব্যবস্থা হলে সবদিকেই সুবিধা হবে।
রানিগঞ্জ সিটিজেন ফোরামের কার্যকরী সভাপতি গৌতম ঘটক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই দাবি জানিয়ে আসছিলাম। মানুষের জীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছিল। রাস্তায় হাঁটার জায়গাটুকু ছিল না। এবার অন্তত যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্য ফিরবে।



