সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ডিভিসির ছাড়া জলে নদীতে জলস্তর অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। যেকারণে আমতা ২ নম্বর ব্লকের বিভিন্ন স্লুইস গেট খোলা যাচ্ছে না। ফলে গত কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে ব্লকের একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। চাষের জমি থেকে রাস্তাঘাট, এমনকী স্কুল, আইসিডিএস সেন্টারও জলের তলায় চলে গিয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় পাম্প চালিয়ে জল বের করার চেষ্টা চলছে। সোমবার আমতা ২ এবং বাগনান ১ নম্বর ব্লকের প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেন হাওড়ার জেলাশাসক পি দীপাপপ্রিয়া। তাঁর সঙ্গে ছিলেন উলুবেড়িয়ার মহকুমা শাসক মানসকুমার মণ্ডল, আমতার বিধায়ক সুকান্ত পাল সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা।
সূত্রের খবর, আমতা ২ নম্বর ব্লকের তাজপুর, কুশবেড়িয়া, গাজিপুর, ঝামটিয়া, কাশমূলী, খালনা, দ্বীপাঞ্চলের ভাটোরা ও ঘোড়াবেড়িয়া চিৎনান গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি থলিয়া, নওপাড়া, আমরাগোড়ি, জয়পুর ঝিকিরা গ্রাম পঞ্চায়েতের একাংশ জলমগ্ন হয়েছে। জেলা কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, এই ব্লকে প্রায় সাড়ে আট হাজার হেক্টর ধান জমির ৮০ শতাংশই জলের নীচে চলে গিয়েছে। অন্যদিকে, বাগনান ১ নম্বর ব্লকের ১,৬০৪ হেক্টর জমি জলমগ্ন হয়েছে। এদিন জেলাশাসক বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। বিধায়ক সুকান্ত পাল বলেন, ডিভিসির ছাড়া জল ও কোটালের ফলে নদীতে জলস্তর অনেকটাই বেড়েছে। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এদিন বাংলা ফসল বিমা যোজনায় আরও বেশি শিবির করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি, গবাদি পশুর খাবারের ব্যবস্থা থেকে শুরু করে জল নামলে বিকল্প চাষ করা যায় কি না, তা নিয়ে বিশদে আলোচনা হয়েছে। নিজস্ব চিত্র