Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রথের পর চাহিদা তুঙ্গে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদের, বাঁকুড়ায় নতুন করে ৮০ হাজার প্যাকেট বরাত দেওয়ার উদ্যোগ জেলা প্রশাসনের

রথের পর চাহিদা তুঙ্গে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদের, বাঁকুড়ায় নতুন করে ৮০ হাজার প্যাকেট বরাত দেওয়ার উদ্যোগ জেলা প্রশাসনের
  • ১ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: রথযাত্রার পর বাঁকুড়ায় দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদের চাহিদা তুঙ্গে উঠেছে। নতুন করে ৮০ হাজার প্যাকেট প্রসাদ বিলির ব্যাপারে রাজ্যের কাছে অনুমোদন চেয়েছে বাঁকুড়া জেলা প্রশাসন। রাজ্য অনুমতি দিলেই গজা, পেড়া তৈরির বরাত দেওয়া হবে বলে প্রশাসনের কর্তারা জানিয়েছেন। জেলায় প্রসাদের চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টিকে নিজেদের সাফল্য হিসেবেই দেখছে তৃণমূল কংগ্রেস। শাসক দলের নেতা-নেত্রীরা ইতিমধ্যেই জেলার বিভিন্ন ব্লকে সরাসরি প্রসাদ বিলির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। উল্টো রথের আগেই যাতে সকলে চাহিদা মতো প্রসাদ পান, তা তৃণমূল নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে চাইছে। 

Advertisement

বাঁকুড়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) নকুলচন্দ্র মাহাত বলেন, জেলায় প্রায় সাত লক্ষ পরিবার রয়েছে। আমরা প্রথম দফায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ পরিবারে প্রসাদ পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিলাম। লক্ষ্যমাত্রা ৯৫ শতাংশ পূরণ হয়ে গিয়েছে। কিছু বাড়িতে প্রসাদ পাঠানো বাকি রয়েছে। রেশন ডিলাররা বাকি থাকা পরিবারের কাছে প্রসাদের প্যাকেট পৌঁছনোর ব্যবস্থা করছেন। তারপরেও প্রসাদের চাহিদা রয়েছে। অতিরিক্ত ৮০-৮১ হাজার প্যাকেট প্রসাদ প্রয়োজন পড়বে। তারজন্য আমরা রাজ্যের কাছে অনুমতি চেয়েছি। দ্রুত অতিরিক্ত প্রসাদ বিলির চেষ্টা চলছে। 
জেলা তৃণমূলের এক নেত্রী বলেন, বাঁকুড়া শহরে প্রসাদ বিলির জন্য রেশন ডিলারদের একাংশ আমাকে ডেকেছিল। প্রসাদের ঘাটতির বিষয়টি মাথায় রেখে আমি যাইনি। কারণ কেউ প্রসাদ না পেলে আমাদের উপর রুষ্ট হতেন। প্রশাসন অতিরিক্ত প্রসাদের প্যাকেটের ব্যবস্থা করলে ভালো হয়। উল্লেখ্য, দীঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের পর থেকেই বাঁকুড়ায় আবেগ লক্ষ্য করা গিয়েছে। বহু পুণ্যার্থী ইতিম঩ধ্যেই মন্দিরে গিয়ে জগন্নাথ মন্দির দর্শন করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীঘায় গিয়ে রথের রশিতে টান দেওয়ার পর আবেগ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। শাসক দলের তরফে বিষয়টি নিয়ে প্রচারের ঝাঁজও বাড়ানো হয়েছে। তারফলে প্রসাদের ব্যাপারে জেলাবাসীর আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রথম দিকে অনেকেই প্রসাদের প্যাকেট নিতে কিছুটা নিমরাজি ছিলেন। বিরোধীদের প্রচারেও কেউ কেউ প্রভাবিত হয়েছিলেন। তখন নিছক দোকানের মিষ্টির প্যাকেটের সঙ্গে প্রসাদকে তুলনা করেছিলেন। কিন্তু, দীঘার মন্দির দর্শনে যেতে না পারা বাঁকুড়াবাসীর কাছে বর্তমানে ওই প্রসাদই কার্যত ‘মহার্ঘ্য’ হয়ে উঠেছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ