Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৯৮.৫ শতাংশ ইনিউমারেশন ফর্ম বিলির কাজ শেষ গোসাবায়

চারদিকে জঙ্গল। কোথাও যেতে হলে নদী পেরতেই হবে। সব মিলিয়ে রয়েছে নটি দ্বীপ। সুন্দরবনের অন্যতম দুর্গম ও প্রান্তিক এলাকা গোসাবা।

৯৮.৫ শতাংশ ইনিউমারেশন ফর্ম বিলির কাজ শেষ গোসাবায়
  • ১২ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: চারদিকে জঙ্গল। কোথাও যেতে হলে নদী পেরতেই হবে। সব মিলিয়ে রয়েছে নটি দ্বীপ। সুন্দরবনের অন্যতম দুর্গম ও প্রান্তিক এলাকা গোসাবা। সেই এলাকার বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলওরা এবার নজির গড়লেন। স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের জন্য বাড়ি বাড়ি ইনিউমারেশন ফর্ম বিলির কাজ প্রায় শেষ করে ফেলেছেন তাঁরা। মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত এই বিধানসভা এলাকায় ৯৮.৫ শতাংশের বেশি ভোটার ফর্ম পেয়ে গিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। এক্ষেত্রে রাজ্যের বেশিরভাগ বিধানসভাকে টেক্কা দিয়েছে তারা। শুধু গোসাবা নয়, সুন্দরবনের পাথরপ্রতিমা, বাসন্তীর মতো বিধানসভায়ও ৯০ শতাংশের বেশি ফর্ম বিলি সম্পন্ন হয়েছে। কীভাবে সম্ভব হল এই কাজ? বিএলওদের একাংশ বলছেন, সকাল সকাল বেরিয়ে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ফর্ম দিয়ে আসা হয়েছে। খুব কম বাড়ি এমন পাওয়া গিয়েছে, যেখানে কেউ নেই। তাই বেশিরভাগ মানুষ ফর্ম পেয়ে গিয়েছেন। সুন্দরবনে ফর্ম বিলির হার ভালো হলেও সার্বিকভাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা অনেকটাই পিছিয়ে। রাজ্যের হিসেব ধরলে যেখানে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ৮১ শতাংশ ফর্ম বিলি হয়েছে, সেখানে এই জেলায় হয়েছে ৭১ শতাংশ। অনেক বিধানসভায় বিএলওদের কাজের গতি কম বলেই এই পরিস্থিতি বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, বাড়ি বা ক্লাবঘর থেকে ইনিউমারেশন ফর্ম বিলির অভিযোগ লেগেই রয়েছে। এবার কাকদ্বীপের পুকুরবেরিয়ার সুভাষ কলোনি এলাকায় এমনই অভিযোগ উঠল। মঙ্গলবার সেখানকার ৭৪ নম্বর বুথে সুবীর দাস নামে এক বিএলও স্থানীয় একটি ক্লাবঘরে বসে ইনিউমারেশন ফর্ম বিলি করছিলেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সেই সংক্রান্ত ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই বিএলও। তিনি বলেন, ‘ক্লাবঘরের ভিতরে বসে কোনও ফর্ম বিলি করা হয়নি। ওখানে বসে গ্রামের পরিবার অনুযায়ী ফর্মগুলি গুছিয়ে নিচ্ছিলাম। কয়েকজন গ্রামবাসী তা দেখে ফর্ম নিতে এসেছিলেন। কিন্তু তাঁদের দেওয়া হয়নি।’ এদিন ঢোলাহাট থানার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার ১৮০ নম্বর বুথের বিএলওকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন বিএলএ মিজানুর রহমান পিয়াদা। তাঁর অভিযোগ, বিএলও ঠিকমতো ফর্ম বিলি করছেন না। এ বিষয়ে কুলপির বিডিও’র কাছে একটি অভিযোগও জমা পড়েছে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ