নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বৃহস্পতিবার চাকরিহারা হয়েছেন প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক শিক্ষিকা। বাতিল হয়েছে পুরো প্যানেল। এবার এই ঘটনার আঁচ এসে লাগল সংসদেও। শুক্রবার সকাল থেকেই এই ইস্যুতে উত্তাল হয়েছে রাজ্যসভা। শুক্রবার ছিল সংসদের বাজেট অধিবেশনের শেষদিন। সভার কাজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করার আগেই তুমুল বিক্ষোভ প্রতিবাদে এদিন সকাল থেকেই দফায় দফায় মুলতুবি করে দিতে হয় রাজ্যসভা। পরে এদিন বেলা ১টায় সভার কাজ শুরু হতেই অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতুবি করে দেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকার। চাকরিপ্রার্থী ইস্যুতে এদিন রাজ্যসভায় প্রধানত বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যেই তুলকালাম বেঁধে যায়।
বিজেপির রাজ্যসভার সদস্য লক্ষ্মীকান্ত বাজপেয়ি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বেআইনি কাজের শিকার হয়েছেন হাজার হাজার শিক্ষক শিক্ষিকা। তাই এহেন ভোগান্তি এবং হয়রানির সম্পূর্ণ দায় নিয়ে হবে রাজ্য সরকারকেই। এই মন্তব্যেরই তীব্র প্রতিবাদে শামিল হয় তৃণমূল কংগ্রেস। তুলে ধরা হয় ব্যাপম কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ। পাল্টা প্রতিবাদ জানাতে থাকে বিজেপি। কার্যত ভণ্ডুল হয়ে যায় সভার কাজ। তৃণমূলের ডেরেক ও’ ব্রায়েনকে বলার সুযোগ দেন জগদীপ ধনকার। পরিস্থিতি শান্ত করার আর্জি জানানো হলেও কাজ হয়নি। তুমুল হট্টগোলে মুলতুবি করে দিতে হয় সভা। এদিন সকালে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে চাকরিহারাদের প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারকে তুলোধোনা করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা রাষ্ট্রমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। বিজেপির দাবি, ঘটনার দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করতে হবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।