নয়াদিল্লি: মোবাইল ফোনে শুধুমাত্র ভয়েস কল এবং এসএমএস করার জন্য আরও বেশি রিচার্জ প্যাকের বিকল্প চালুর নির্দেশ দিল টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অব ইন্ডিয়া (ট্রাই)। সংস্থার তরফে টেলিকম কনজিউমার (ত্রয়োদশ সংশোধনী) নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, যে সব গ্রাহকদের ইন্টারনেট প্রয়োজন নেই, তাদের জন্য আরও কম খরচে ভয়েস অ্যান্ড এসএমএস-অনলি স্পেশাল ট্যারিফ ভাউচার (এসটিভি) নিয়ে আসতে হবে। সোমবারের এই নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, ৩০ দিন বা তার কম সময়ের জন্য এই কম খরচের এসটিভি চালু করতে হবে। এতদিন দীর্ঘমেয়াদি সময়ের জন্যই এই ধরনের রিচার্জ প্যাকগুলি চালু ছিল। এই প্যাকগুলির মেয়াদ এমন করতে হবে, যাতে প্রতি মাসের একই তারিখে ‘রিনিউ’ হবে। এছাড়া টেলিকম সংস্থাগুলিকে শুধুমাত্র কলিং ও এসএমএসের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি প্ল্যানও চালু করতে হবে। এখন ভয়েস কল, এসএমএস এবং ইন্টারনেটের মিলিত প্ল্যানে যে সুবিধা পাওয়া যায়, সেই সুবিধা ওই দীর্ঘমেয়াদি প্যাকে রাখতে হবে।
নতুন নিয়ম চালু কেন? ২০২৪ সালে ট্রাইয়ের দ্বাদশ সংশোধনী নির্দেশিকা কার্যকর হওয়ার পর দেখা যায়, শুধুমাত্র ফোন ও এসএমএস ভিত্তিক প্ল্যানের সুবিধা খুবই সীমিত হয়ে গিয়েছে। টেলিকম সংস্থাগুলি স্বল্প মেয়াদের এসটিভির বিকল্প কমিয়ে দেওয়ায় নিম্নবিত্তদের অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছিল। যে গ্রাহকদের কলিং প্ল্যানের সঙ্গে ইন্টারনেট পরিষেবার প্রয়োজন নেই, তাদের চাহিদা ও আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী রিচার্জ প্ল্যান বেছে নেওয়ার সুবিধা দিতেই নতুন কাঠামো চালু করা প্রয়োজন বলে ট্রাইয়ের তরফে জানানো হয়েছে। এদিকে, স্মার্টফোনের স্ক্রিন প্রোটেক্টর বিক্রি নিয়েও বিধিনিষেধ জারি করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। নিম্নমানের স্ক্রিন প্রোটেক্টর বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে এই নিয়ম কার্যকর হবে। ভারতীয় মানদণ্ড মেনে যে সব স্ক্রিন প্রোটেক্টর তৈরি করা হবে, সেগুলিই বিক্রি করা যাবে। এর জন্য স্ক্রিন প্রোটেক্টরকে ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (বিআইএস)-এর অধীনে নিয়ে আসছে ইলেকট্রনিকস ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। সোমবার জারি করা এক নির্দেশিকায় কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী এপ্রিল থেকে স্ক্রিন প্রোটেক্টরের নির্দিষ্ট মাপ, কাচের মান বজায় রাখতে হবে। এছাড়া প্যাকেজিংয়ে নির্মাতার তথ্য, ব্যাচ নম্বর সহ ইত্যাদি তথ্য লিখতে হবে বলেও ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে।