Bartaman Logo
২৫ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ইটভাটার মাটি কাটায় বেহাল হাসনাবাদ থেকে ন্যাজাট রোড, ক্ষোভ বাসিন্দাদের

নদীর তিরে গড়ে উঠেছে ইটভাটা। কিন্তু তার জন্য মাশুল গুনছে রাস্তা! মাটি জোগাড়ের নামে রাস্তার দু’ধার কেটে নেওয়ার অভিযোগে ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে হাসনাবাদ-ন্যাজাটের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।

ইটভাটার মাটি কাটায় বেহাল হাসনাবাদ থেকে ন্যাজাট রোড, ক্ষোভ বাসিন্দাদের
  • ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: নদীর তিরে গড়ে উঠেছে ইটভাটা। কিন্তু তার জন্য মাশুল গুনছে রাস্তা! মাটি জোগাড়ের নামে রাস্তার দু’ধার কেটে নেওয়ার অভিযোগে ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে হাসনাবাদ-ন্যাজাটের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার অন্তর্গত রাস্তার একাধিক জায়গায় কিনারা ভেঙে গিয়েছে। বর্ষার জলে কাটা অংশ আরও ধসে পড়ায় আতঙ্কে নিত্যযাত্রীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশ্ন, ইটভাটার মাটির জোগান দিতে গিয়ে এ বার কি রাস্তারই ভিত নড়ে যাবে?

Advertisement

জানা গিয়েছে, হাসনাবাদ থেকে ন্যাজাট, ভবানীপুর, নোয়াপাড়া, শুলকুনি, কুলিয়াডাঙা, মোহনপুর সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের অন্যতম ভরসা এই রাস্তা। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ, স্কুল-কলেজের পড়ুয়া থেকে শুরু করে টোটো, অটো, বাস, ছোট-বড়ো পণ্যবাহী গাড়ি– সবই ছুটে চলে এই পথে। এমন রাস্তার দু’ধারের মাটি সরে যাওয়ায় শুধু ভোগান্তি নয়, বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, রাস্তার দু’ধারে থাকা একাধিক ইটভাটায় মাটি জোগাড়ের জন্য রাস্তার ধার ঘেঁষে নির্বিচারে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। কোথাও রাস্তার কিনারা ভেঙে নীচে নেমে গিয়েছে। কোথাও আবার রাস্তার পাশেই তৈরি হয়েছে গভীর খাদ। বর্ষার জল সেই খাদে জমে মাটি আরও আলগা করে দিচ্ছে। ভারী যান চলাচলের ধাক্কায় রাস্তার দুর্বল অংশ যে কোনও সময় আরও ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা। পড়ুয়াদেরও বিপদ। স্কুল-কলেজে যাওয়ার পথে ভাঙা রাস্তার ধার পেরতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন পড়ুয়ারা।
একইভাবে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে বাইক, সাইকেল ও ছোট গাড়িকে। স্থানীয় বাসিন্দা সদানন্দ দাশগুপ্তের অভিযোগ, ইটভাটার প্রয়োজনে নদী ধার থেকে মাটি তোলার কাজ চলছে। ফলে, নদীর ধারের রাস্তা ক্রমশ বেহাল হচ্ছে। কারও কোনো হুঁশ নেই। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, সরকারি প্রকল্পে তৈরি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার দু’ধার কেটে নেওয়া হচ্ছে— তারপরেও নজরদারি কোথায়? অবিলম্বে তদন্ত করে বেআইনিভাবে মাটি কাটা বন্ধ করতে হবে বলে দাবি তুলছেন এলাকাবাসীরা।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ