সংবাদদাতা, কাটোয়া: দাঁইহাট শহরে ভাগীরথীতে মাত্র দু’টি স্নানের ঘাট বরাদ্দ বাসিন্দাদের জন্য। ১৪টি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা তাই নদী পাড়ের বিভিন্ন এলাকায় বিপজ্জনকভাবে স্নান সারেন। বাসিন্দাদের জন্য দু’টি ঘাটই যথেষ্ট নয়। তাঁদের দাবি, আরও স্নানের ঘাট বাড়ানো হোক। পাশাপাশি স্নানের ঘাটে নজরদারি বাড়ানো হোক। দুই বন্ধুর ট্রাজিক পরিণতির পর এই দাবি আরও জোরালো হয়েছে।
Advertisement
দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ রায় বলেন, আমাদের দু’টি ঘাট রয়েছে স্নানের জন্য। আমরা সেখানে পর্যাপ্ত আলো, শৌচালয়ের ব্যবস্থা করেছি। এখন স্নানের ঘাট যাতে বাড়ানো হয়, তারজন্য আলোচনা করব।
ভাগীরথীর পাড়ে মাত্র দু’টি স্নানের ঘাট। একটি চৌধুরী পাড়ায়, অপরটি শ্মশানঘাট চত্বরে। চৌধুরী পাড়ার ঘাটটি মূলত ছটপুজোর সময় ব্যবহার করা হয়। শ্মশানের স্নানঘাটটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। কারণ বর্ষার পর জল শুকিয়ে সেখানে চর তৈরি হয়। তাই স্নানের সমস্যা বাড়ে। বাইরে থেকে যাঁরা স্নানের জন্য আসেন তাঁদের একটা বড় অংশ মাটিয়ারি ফেরিঘাটের আশপাশেই বিপজ্জনকভাবে স্নান করেন। বিশেষ করে মহালয়ার তর্পণ, শ্রাবণ মাসে জল ভরা, কালীপুজোর স্নানের সময় কাতারে কাতারে মানুষ আসেন এই ঘাটে।
তাই বাসিন্দাদের দাবি, যেখানে কাটোয়া শহরের ভাগীরথীতে মোট ৮টি স্নানের ঘাট রয়েছে। যেমন বাজারে ঘাট, গোয়ালপাড়া ঘাট, কালীবাড়ি ঘাট, দেবরাজ ঘাট, হরিসভাপাড়া ঘাট, কাঠগোলাঘাট, কাশীগঞ্জপাড়া ঘাট এবং শ্মশানঘাট। সেখানে দাঁইহাটের মতো পুরনো শহরে মাত্র দু’টি ঘাট যথেষ্ট নয়। লোকসংখ্যা দিনদিন বাড়ছে শহরে। তাই স্নানঘাটের উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন। শহরের বাসিন্দা বাসুদেব বিশ্বাস, সুশান্ত পাল বলেন, স্নানঘাটগুলিতে নজরদারি সহ উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।
ভাগীরথীর পাড়ে মাত্র দু’টি স্নানের ঘাট। একটি চৌধুরী পাড়ায়, অপরটি শ্মশানঘাট চত্বরে। চৌধুরী পাড়ার ঘাটটি মূলত ছটপুজোর সময় ব্যবহার করা হয়। শ্মশানের স্নানঘাটটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। কারণ বর্ষার পর জল শুকিয়ে সেখানে চর তৈরি হয়। তাই স্নানের সমস্যা বাড়ে। বাইরে থেকে যাঁরা স্নানের জন্য আসেন তাঁদের একটা বড় অংশ মাটিয়ারি ফেরিঘাটের আশপাশেই বিপজ্জনকভাবে স্নান করেন। বিশেষ করে মহালয়ার তর্পণ, শ্রাবণ মাসে জল ভরা, কালীপুজোর স্নানের সময় কাতারে কাতারে মানুষ আসেন এই ঘাটে।
তাই বাসিন্দাদের দাবি, যেখানে কাটোয়া শহরের ভাগীরথীতে মোট ৮টি স্নানের ঘাট রয়েছে। যেমন বাজারে ঘাট, গোয়ালপাড়া ঘাট, কালীবাড়ি ঘাট, দেবরাজ ঘাট, হরিসভাপাড়া ঘাট, কাঠগোলাঘাট, কাশীগঞ্জপাড়া ঘাট এবং শ্মশানঘাট। সেখানে দাঁইহাটের মতো পুরনো শহরে মাত্র দু’টি ঘাট যথেষ্ট নয়। লোকসংখ্যা দিনদিন বাড়ছে শহরে। তাই স্নানঘাটের উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন। শহরের বাসিন্দা বাসুদেব বিশ্বাস, সুশান্ত পাল বলেন, স্নানঘাটগুলিতে নজরদারি সহ উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।



