Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বন্ধ কৃষ্ণনগর পুরসভার জন্ম শংসাপত্রের ডিজিটাইজেশন

কৃষ্ণনগর পুরসভায় জন্ম শংসাপত্র ডিজিটালকরণের কাজ বন্ধ থাকায় নাগরিকদের ভোগান্তি বেড়েছে। দ্রুত পরিষেবা চালুর দাবি উঠেছে। বিস্তারিত পড়ুন।

বন্ধ কৃষ্ণনগর পুরসভার জন্ম শংসাপত্রের ডিজিটাইজেশন
  • ২৪ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা,কৃষ্ণনগর: কৃষ্ণনগর পুরসভায় জন্মের শংসাপত্র ডিজিটালকরণের কাজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে পরিষেবাটি বন্ধ থাকায় প্রতিদিনই বহু মানুষ পুরসভায় এসে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। একাধিকবার আবেদন ও অনুরোধ করেও কবে থেকে পরিষেবা স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও উত্তর না পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে নাগরিকদের মধ্যে।

Advertisement

বেশিরভাগ জনের অভিযোগ, যাঁদের পুরনো জন্ম সার্টিফিকেট ডিজিটাল রূপে প্রয়োজন, তাঁরা দিনের পর দিন পুরসভায় ঘুরেও সেটি করতে পারছেন না। এমনকি পুরোনো সার্টিফিকেটে যদি কোনো ভুল থাকে তাহলে সেটি সংশোধনও করতে পারছেন না। ফলে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কাজে ,পাসপোর্টের আবেদন, ফর্ম ফিলাপ সহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজ করতে গিয়ে তাদের সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।
পুরসভায় আসা কয়েকজনের দাবি, একাধিকবার  পুরসভায় যোগাযোগ করলেও প্রতিবারই তাঁদের পরে আসতে বলা হচ্ছে। কিন্তু কবে থেকে কাজ শুরু হবে, সে বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট সময় জানানো হচ্ছে না। ফলে বারবার যাতায়াত করে সময় ও অর্থ দুই-ই নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁদের।জন্মসার্টিফিকেটের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথির পরিষেবা দীর্ঘদিন বন্ধ রাখা উচিত নয়। দ্রুত পরিষেবা চালু করার দাবি করেন সকলে।
জানা গিয়েছে, পুরসভার পক্ষ থেকে একটি নোটিসের মাধ্যমে জন্ম সার্টিফিকেট ডিজিটালকরণের কাজ আপাতত বন্ধ থাকার কথা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মৌখিকভাবেও একই কথা বলা হচ্ছে। তবে পরিষেবা কবে থেকে পুনরায় চালু হবে সে বিষয়ে কোনো  স্পষ্ট ঘোষণা না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
এই নিয়ে পুরসভার প্রশাসক মৌলি স্যান্যাল হাজরাকে ফোন ও‌ মেসেজ করা হলেও কোনোও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।‌
 আশীষ রাই নামে এক ব্যক্তি বলেন, আমার নামের বানান ভুল রয়েছে। এর ফলে বার্থ সার্টিফিকেট আমি কোনো কাজেই ব্যবহার করতে পারছি না। প্রায় এক মাস ধরে ঠিক করার জন্য ঘুরেই চলেছি। কিন্তু কাজ হচ্ছে না। 
বিউটি খাতুন নামে এক গৃহবধূ বলেন, আমার মেয়ের স্কুল থেকে বলেছে সার্টিফিকেটটি ডিজিটাল করে নিতে, কিন্তু কোনোভাবেই করতে পারছি না। বার বার আসছি ঘুরে যাচ্ছি। এভাবে কতদিন মেজাজ ঠিক থাকে।
একাধিক আবেদন-অনুরোধের পরও সমাধান না মেলায় ক্ষোভ বাড়ছে নাগরিকদের মধ্যে। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে পরিষেবা চালু হবে বলেই আশা ভুক্তভোগীদের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ