Bartaman Logo
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে কিউআর কোড স্ক্যান করলেই ডিজিটাল গাইডম্যাপ

এবার কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে আসা পুণ্যার্থীদের সুরক্ষা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে অত্যাধুনিক পদক্ষেপ নিল প্রশাসন।

কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে কিউআর কোড স্ক্যান করলেই ডিজিটাল গাইডম্যাপ
  • ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: এবার কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে আসা পুণ্যার্থীদের সুরক্ষা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে অত্যাধুনিক পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। তারাপীঠজুড়ে থাকছে কিউআর কোডভিত্তিক ডিজিটাল গাইড এবং অগ্নিনির্বাপণের জন্য আধুনিক ‘ফায়ার ফাইটিং রোবট’। সোমবার সন্ধ্যায় তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের অফিসে প্রশাসনিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক ধবল জৈন, জেলার পুলিশ সুপার বিদিত রাজ ভুন্দেশ, রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা এবং টিআরডি সদস্য নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা। 

Advertisement

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, উৎসবের দিনগুলিতে তারাপীঠের বিভিন্ন প্রান্তে কিউআর কোড বোর্ড লাগানো থাকবে। পুণ্যার্থীরা মোবাইলে এই কোড স্ক্যান করলেই পেয়ে যাবেন সম্পূর্ণ ডিজিটাল গাইডম্যাপ। এর মাধ্যমে মন্দিরে প্রবেশ ও বেরনোর পথ, বিকল্প রুট, নো-এন্ট্রি জোন, পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র, সেবাকেন্দ্র, হাসপাতাল ও জরুরি মেডিকেল ক্যাম্পের অবস্থান জানা যাবে। দেশ-বিদেশের লক্ষাধিক ভক্তের ভিড় সামলাতে যা কার্যকর ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সম্প্রতি তারাপীঠের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ড ও তার জেরে ন’জন পুণ্যার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনার কথা মাথায় রেখে এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বাড়তি জোর দেওয়া হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বিশেষ ফায়ার ফাইটিং রোবট, যা রিমোট কন্ট্রোল বা স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত আগুন নেভাতে ও উদ্ধারকাজ চালাতে সক্ষম হবে বলে জানিয়েছেন নিখিলবাবু। 
এছাড়া যাতায়াত ও ভিড় সামলাতে চিলা ব্রিজের পাশের খেলার মাঠ সহ একাধিক পয়েন্টে বড় পার্কিং জোন তৈরি করা হচ্ছে। রামপুরহাটের মনসুবা মোড় থেকে আটলা মোড় পর্যন্ত তারাপীঠে প্রবেশের প্রধান রাস্তাগুলিতে থাকবে প্রায় ৩০টি পুলিশ সহায়তা কেন্দ্র ও সেবা কেন্দ্র। দ্বারকা নদে স্নান করার সময় দুর্ঘটনা এড়াতে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে দক্ষ ডুবুরির দল। ভক্তরা যাতে হোটেল মালিকদের হাতে হেনস্তার শিকার না হন, সেবিষয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রশাসন জানিয়েছে, হোটেল ভাড়ার উপর কঠোর নজরদারি চালানো হবে। বৈঠক শেষে প্রশাসনিক কর্তারা মন্দির চত্বর ও দ্বারকা নদের ঘাট সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ