মুখোমুখি আড্ডায় ছোটোপর্দার নতুন ‘দিদি’ স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।
মুখোমুখি আড্ডায় ছোটোপর্দার নতুন ‘দিদি’ স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।
• একের পর এক রাউন্ড শেষ হচ্ছে। আর দর্শকাসনে উঠছে হাততালির ঝড়। জি বাংলার ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর শ্যুটিংয়ে তখন জমাটি পরিবেশ। মঞ্চে নতুন ‘দিদি’ স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। সঞ্চালনার দায়িত্ব কতটা এনজয় করছেন? বিরতির অবসরে স্বস্তিকা বললেন, ‘খুব এনজয় করছি। এতটা খাটনির কাজ আগে বুঝতে পারিনি। কিন্তু সব কিছুর ঊর্ধ্বে ভালো লাগছে যে, এত মানুষের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বিভিন্ন প্রান্তের মহিলারা আসছেন। তাঁদের জীবনের কথা বলছেন।’
এর আগে প্রতিযোগী হিসেবে এই রিয়ালিটি শো-এ খেলতে গিয়েছিলেন স্বস্তিকা। সেকথা মনে করাতে বলে উঠলেন, ‘এবছরই এসছিলাম। জিতেওছিলাম। তখন তো আর ভাবিনি, কপালে কী লেখা আছে।’ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন এই শো সঞ্চালনা করে একটি নির্দিষ্ট ধারা তৈরি করেছেন। স্বস্তিকার কাছে তা কি অতিরিক্ত চাপের? নায়িকার উত্তর, ‘শুধু আমার ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ করা নিয়ে নয়, যে কোনো কিছুর প্রথম রিঅ্যাকশন এখন নেগেটিভই হয়। সেটা এত বছর ধরে দেখছি, এখন আর গায়ে মাখি না। আমার কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল, এত বছর ধরে আমি যেভাবে মানুষের সঙ্গে কানেক্ট করেছি, সেভাবে যেন কানেক্ট করতে পারি। এখানে যারা খেলতে আসবে তাদের যেন কখনো না মনে হয় আমি অন্য মেরুর বাসিন্দা। আমাকে ছোঁয়া যায় না, আমার কাছে আসা যায় না, এমন যেন মনে না হয়।’
কেরিয়ারের প্রথম দিকে টেলিভিশনে কাজ করেছিলেন স্বস্তিকা। এত বছর পরে ফিরে এসে কী কী বদল চোখে পড়ল? ‘যাঁরা সিরিয়াল করছেন, তাঁরা বেশি ভালো বলতে পারবেন। আমরা খুব সাধারণ ভাবে টেলিভিশন করতাম। এখন সবার একটা স্টাইলিং টিম আছে। আমি ২২ বছর পর টেলিভিশনে ফিরলাম। এটা গুরুদায়িত্ব’, বললেন তিনি।
সম্প্রতি রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেছেন, ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর জনপ্রিয়তার কারণে তাঁকে নির্বাচনে টিকিট দেওয়া হয়েছিল। এবার কি আপনার পালা? স্বস্তিকার জবাব, ‘আমার রাজনীতিতে নাম লেখানোর মতো যোগ্যতা আছে বলে আমি মনে করি না। কারণ আমি পলিটিক্যালি সম্পূর্ণ ইনকারেক্ট। বুঝে কথা বলব, সবার কাছে ভালো থাকব, সেটা আমার এ জীবনে হবে না। আর ওই স্ট্রেসটা নিতেও চাই না।’
স্বরলিপি ভট্টাচার্য