সংবাদদাতা, সিউড়ি: একইসঙ্গে দু’টি সরকারি দপ্তরে অস্থায়ী পদে চাকরি করে পারিশ্রমিক নেওয়ার অভিযোগ উঠল এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে। বীরভূম জেলা পরিষদের পাশাপাশি ওই কর্মচারী জেলার আরও একটি পঞ্চায়েতে চুক্তিভিত্তিক পদে কাজ করছিলেন। একইসঙ্গে দু’টি সরকারি জায়গায় পারিশ্রমিক নেওয়া একেবারেই বেআইনি বলে দাবি করেছেন জেলা পরিষদের আধিকারিকরা। তাই দ্রুত ওই কর্মচারীকে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হলেও তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
Advertisement
মঙ্গলবার জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দপ্তরের অস্থায়ী ক্যাজুয়াল (ডিআরডাব্লিউ) পদে গত দু’মাস ধরে কাজ করছিলেন চন্দ্র বাগদি নামে এক যুবক। জেলা পরিষদের কাজ করার পাশাপাশি তিনি বোলপুর-শ্রীনিকেতন ব্লকের সাত্তোর গ্রাম পঞ্চায়েতে বিএসকে অপারেটর পদে যুক্ত ছিলেন। দু’টি কাজ একই সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছিলেন ওই কর্মী। বিষয়টি জানাজানি হতেই দ্রুত ওই অস্থায়ী কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় বীরভূম জেলা পরিষদ। মঙ্গলবার জেলা পরিষদ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এদিন জেলা পরিষদের অর্থ সংক্রান্ত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে সার্বিকভাবে আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ওই অস্থায়ী কর্মীকে জেলা পরিষদের কাজ থেকে বহিষ্কার করা হল। সেই সঙ্গে বীরভূম জেলা পরিষদে কর্মরত অবস্থায় তিনি যে পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন দ্রুত সেই পারিশ্রমিক তাঁকে ফেরত দিতে হবে।
যদিও ওই অস্থায়ী কর্মচারীকে এখনও পঞ্চায়েতের বিএসকে অপারেটর পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়নি। কারণ এই পদের নিয়োগ জেলা পরিষদ থেকে করা হয় না। তবে এই অভিযোগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিএসকে দপ্তরে জানানো হবে বলে জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে।
এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে বীরভূম জেলা পরিষদের এক আধিকারিক বলেন, ওই অস্থায়ী কর্মী দু’টি জায়গায় কাজে নিযুক্ত থেকে পারিশ্রমিক নিয়েছেন। যা বেআইনি। জেলা পরিষদের বৈঠকে সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে তাঁকে জেলা পরিষদের অস্থায়ী কাজ থেকে বহিষ্কার করা হল। তবে বিএসকে পদে তার কাজ বহাল রয়েছে। এই বিষয়টি বিএসকে দপ্তরকে জানানো হবে। তারপর তারা ওই কর্মীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে তার বিরুদ্ধে কোনও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
যদিও ওই অস্থায়ী কর্মচারীকে এখনও পঞ্চায়েতের বিএসকে অপারেটর পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়নি। কারণ এই পদের নিয়োগ জেলা পরিষদ থেকে করা হয় না। তবে এই অভিযোগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিএসকে দপ্তরে জানানো হবে বলে জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে।
এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে বীরভূম জেলা পরিষদের এক আধিকারিক বলেন, ওই অস্থায়ী কর্মী দু’টি জায়গায় কাজে নিযুক্ত থেকে পারিশ্রমিক নিয়েছেন। যা বেআইনি। জেলা পরিষদের বৈঠকে সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে তাঁকে জেলা পরিষদের অস্থায়ী কাজ থেকে বহিষ্কার করা হল। তবে বিএসকে পদে তার কাজ বহাল রয়েছে। এই বিষয়টি বিএসকে দপ্তরকে জানানো হবে। তারপর তারা ওই কর্মীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে তার বিরুদ্ধে কোনও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।



