Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দুই সোনার দোকানে দুঃসাহসিক চুরির ৭২ ঘণ্টা পরেও অধরা দুষ্কৃতীরা

দুই সোনার দোকানে দুঃসাহসিক চুরির ৭২ ঘণ্টা পরেও অধরা দুষ্কৃতীরা
  • ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, ডোমকল: সাগরপাড়ায় দু’টি সোনার দোকানে দুঃসাহসিক চুরির ৭২ ঘণ্টা পরেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারল না পুলিস। সোর্স ইনপুট কাজে লাগিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা থেকে আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ, সব করেও নাগাল মিলছে না দুষ্কৃতীদের। চুরির নিখুঁত পরিকল্পনা দেখে এ কাজ কোনও পেশাদার গ্যাংয়ের বলেই অনুমান পুলিসের। তালা ভাঙা থেকে ভল্ট কাটা সবেতেই দুষ্কৃতীরা অত্যাধুনিক মেশিন ব্যবহার করেছিল বলে সন্দেহ পুলিসের। যে দু’টি দোকানে চুরি হয়েছিল তার মধ্যে একটি দোকানে শাটারের সঙ্গে অতিরিক্ত সুরক্ষা হিসেবে ছিল কোলাপসিবল গেট। সেই গেটে তালাও ছিল। কিন্তু চুরির পর ওই গেটে ঝুলে থাকা তালার অবস্থা দেখে পুলিসের অনুমান, কোনও আধুনিক যন্ত্র দিয়ে তালা ভাঙা হয়ে থাকতে পারে। তাঁদের আরও অনুমান, কোলাপসিবল গেটের তালা ভাঙার পর শাটার ভাঙার ক্ষেত্রেও অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করেছিল দুষ্কৃতীরা। শাটারের লকের নীচের অংশে শক্ত কোনও কিছু ঢুকিয়ে চাপ দিয়ে একদিকের অংশের শাটার তোলা হয়ে থাকতে পারে। শুধু তাই নয়, ভল্ট কাটার ক্ষেত্রেও  আধুনিক গ্যাস কাটার ব্যবহার করে থাকতে পারে দুষ্কৃতীরা। কারণ, মোটা লোহার ভল্ট ভাঙার জন্য সাধারণ গ্যাস কাটার ব্যবহার করলে ব্লেড ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পাশপাশি তাতে শব্দও ভীষণ হয়। তবে শব্দ এড়ানোর জন্য তাঁরা উন্নত ধরনের গ্যাস কাটার ব্যবহার করে থাকতে পারে। স্বর্ণ ব্যবসায়ী আশুতোষবাবু বলেন, তালাগুলি দেখে আমারও মনে হয়েছে শক্তিশালী কোনও কিছু দিয়েই অতিরিক্ত চাপ দিয়ে ওই তালা খোলা হয়েছে। পুলিস তদন্ত করে দেখুক বিষয়টি। পুলিসের প্রতি আস্থা আছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, আশপাশে কোনও ক্লু পাওয়া যাচ্ছে না। টোটালি ব্ল্যাংক। আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লোকাল সোর্সও খুব একটা কিছু বলতে পারছে না। তবে মেশিনের সাহায্যে তালা ভাঙা হয়ে থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়ার নয়। আশেপাশে কোনও লোকই বলতে পারছে না, শব্দ হয়েছে কি হয়নি। ডোমকলের এসডিপিও শুভম বাজাজ বলেন, তদন্ত শুরু হয়েছে। খুব শীঘ্রই দুষ্কৃতীদের আমরা গ্রেপ্তার করতে পারব। -নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ