সংবাদদাতা, বোলপুর: বোলপুরের দুই বিজেপি নেতা-নেত্রীর নিরাপত্তারক্ষী প্রত্যাহার করল কেন্দ্র। বুধবার বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী পিয়া সাহা ও বোলপুরের বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্ন্যাসীচরণ মণ্ডল ওরফে অষ্টমের নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হল। এনিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল নেতৃত্ব।
Advertisement
গত পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকেই কেন্দ্রীয় সিআরপিএফ ‘এক্স’ ক্যাটাগরির চারজন নিরাপত্তারক্ষী পেতেন সন্ন্যাসীচরণ। একাধিকবার তিনি তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের হাতে নিগৃহীত হয়েছেন বলে তাঁর অভিযোগ। এমনকী, প্রচারের গাড়িও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী পিয়া সাহাও নির্বাচনী প্রচারে একাধিকবার তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বাধার মুখে পড়েন বলে তাঁর দাবি। তাঁকেও একই নিরাপত্তা দেওয়া হয়। লোকসভা নির্বাচন পেরিয়ে যাওয়ার পরও নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের সর্বক্ষণের সঙ্গী ছিলেন। কিন্তু আচমকা, বুধবার থেকে তাদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হল। যদিও বিষয়টিকে একেবারেই স্বাভাবিক বলে মনে করছেন পিয়া সাহা। তিনি বলেন, এর আগে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সময় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমার উপর হামলা চালায়। এমনকী, গত লোকসভা নির্বাচনে বারবার তৃণমূলের বাধার মুখে পড়েছি। কিন্তু কখনোই নিরাপত্তা চাইনি। ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব নিরাপত্তার প্রয়োজন মনে করে দিয়েছিল। আবার নিয়মমাফিক প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে আমরা যেমন সংগঠনের কাজ করছিলাম, আগামী দিনেও চালিয়ে যাব। আমাদের পাশে সাধারণ মানুষ রয়েছে, ভয়ের কোনও কারণ নেই।
সন্ন্যাসীচরণ বলেন, তৃণমূলের সন্ত্রাসের এলাকায় রাজনীতি করছি, ফলে ভয় তো থেকেই যায়। এর আগে খুজুটিপাড়া ও নানুরে তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন আমাকে মারধর ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। কিন্তু ভয় উপেক্ষা করে সংগঠনের কাজ করছি।
আগামীতেও করে যাব। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যদি নিরাপত্তার প্রয়োজন আছে মনে করে তাহলে আবার তারা বিবেচনা করবে। ওনিয়ে গেরুয়া শিবিরকে কটাক্ষ করে তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করে ফেলে দেওয়া, বিজেপির এই নীতির জন্যই গেরুয়া শিবিরের থেকে অনেকে মুখ সরিয়ে নিচ্ছেন। সেজন্য এরাজ্যে ওই দলের কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই।
সন্ন্যাসীচরণ বলেন, তৃণমূলের সন্ত্রাসের এলাকায় রাজনীতি করছি, ফলে ভয় তো থেকেই যায়। এর আগে খুজুটিপাড়া ও নানুরে তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন আমাকে মারধর ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। কিন্তু ভয় উপেক্ষা করে সংগঠনের কাজ করছি।
আগামীতেও করে যাব। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যদি নিরাপত্তার প্রয়োজন আছে মনে করে তাহলে আবার তারা বিবেচনা করবে। ওনিয়ে গেরুয়া শিবিরকে কটাক্ষ করে তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করে ফেলে দেওয়া, বিজেপির এই নীতির জন্যই গেরুয়া শিবিরের থেকে অনেকে মুখ সরিয়ে নিচ্ছেন। সেজন্য এরাজ্যে ওই দলের কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই।



