সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: দুই নাবালিকাকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে পরিকল্পনা ছিল ভিনরাজ্যে পাচারের। পুলিসি তৎপরতায় অবশেষে উদ্ধার হল দুই নাবালিকা। গ্রেপ্তার হয়ে শ্রীঘরে অপহরণে অভিযুক্ত তরুণ। ধৃতের নাম বিশাল হেমরম। সে ইটাহার ব্লকের শ্রীধরপুর এলাকার বাসিন্দা। মঙ্গলবার রাতে দুই নাবালিকাকে উদ্ধারের পাশাপাশি বছর আঠারোর বিশালকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। নাবালিকাকে হোমে পাঠানো হয়েছে। বুধবার দুপুরে ধৃতকে রায়গঞ্জ আদালতে পেশ করা হলে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। হেমতাবাদ ব্লকের বছর ষোলোর এই দুই নাবালিকা হেমতাবাদের একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির পড়ুয়া। গত ৩০ ডিসেম্বর দুই বান্ধবীর বাড়ি থেকে বইয়ের ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে যায়। রাতেও বাড়ি না ফেরায় ৩১ ডিসেম্বর সকালে পুলিসের দ্বারস্থ হয় দুই নাবালিকার পরিবার।
Advertisement
তদন্তে নেমে পুলিস জানতে পারে, দুই নাবালিকার সঙ্গে ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজ করা দুই যুবকের পরিচয় হয় দু’বছর আগে। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। মঙ্গলবার রাতে মালদহ থেকে ট্রেনে করে দুই নাবালিকাকে নিয়ে পালানোর পরিকল্পনা ছিল। পুলিস সূত্রে খবর, দুই নাবালিকাকে ভিনরাজ্যে পাচারের পরিকল্পনা ছিল তাদের। পুলিস খবর পেয়েই মালদহের উদ্দেশে রওনা দেয়। রায়গঞ্জ থেকে বাসে করে দুই নাবালিকা ও ধৃত যুবক মালদহের উদ্দেশে রওনা দেয়। পুলিসের তৎপরতা জানতে পেরে বাস থেকে নেমে পালাতে গেলেই ইটাহার সংলগ্ন এলাকা থেকে ওই তিনজনকে ধরা হয়। নিয়ে আসা হয় হেমতাবাদ থানায়। এক যুবককে গ্রেপ্তার করা গেলেও অপর যুবকের হদিশ মেলেনি।
হেমতাবাদ থানার আইসি সুজিত লামা বলেন, দুই নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়েছে। অপহরণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে ঘটনার তদন্ত চলছে। দুই নাবালিকাকে কী উদ্দেশ্যে অপহরণ করা হয়েছিল তা জানতে জেরা করা হচ্ছে যুবককে।
হেমতাবাদ থানার আইসি সুজিত লামা বলেন, দুই নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়েছে। অপহরণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে ঘটনার তদন্ত চলছে। দুই নাবালিকাকে কী উদ্দেশ্যে অপহরণ করা হয়েছিল তা জানতে জেরা করা হচ্ছে যুবককে।



