নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে চীনাবাদাম চাষ বাড়ছে। এই তিন জেলায় ৫০০ কুইন্টাল বাদামের বীজ দেওয়া হয়েছে। তাই এবছর রেকর্ড পরিমাণ চীনাবাদাম উৎপন্ন হবে বলে মনে করছেন চাষিরা। পাশাপাশি মঙ্গলবার ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব গ্রাউন্ড নাট রিসার্চের আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র থেকে চাষিদের জন্য এক ট্রেনিং প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়। সেই ট্রেনিং প্রোগ্রামে তিন জেলা থেকেই চাষিরা এসেছিলেন। এদিন চীনাবাদাম চাষের জন্য অত্যাধুনিক মানের যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা চাষিদের দেখানো হয়। চাষিদের কথায়, চীনাবাদামের চাহিদা সারা বছরই থাকে। ফলন ভালো হওয়ায় বেশ ভালো মুনাফা হয়। বাদাম চাষ নিয়ে আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র থেকে নানা পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়াও চীনাবাদামের মার্কেটিং নিয়েও আলোচনা হয় গবেষণা কেন্দ্রে।
Advertisement
এদিন কথা হচ্ছিল আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্রের ইয়ং প্রফেশনাল সৌরভ সাইয়ের সঙ্গে। তিনি বলেন, আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্রে চীনাবাদাম চাষের নানা পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা চলছে। পূর্ব ভারতে চীনাবাদাম চাষ বাড়ছে। একইসঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুরের চাষিরাও চীনাবাদাম চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের তরফে শিল্পের পাশাপাশি কৃষি ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিকল্প চাষ বাড়াতে চাষিদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই জেলার প্রতিটি ব্লকে নতুন ধরনের চাষের প্রবণতা বেড়েছে। ধান, সব্জি চাষের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের চীনাবাদাম চাষও করছেন চাষিরা। জানা গিয়েছে, চীনাবাদাম গোটা দেশে অন্যতম অর্থকরী ফসল হিসাবে বিবেচিত হয়। এরাজ্যে চীনাবাদাম চাষের চাহিদা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। গত বছরের তুলনায় রাজ্যে এবছর প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে চীনাবাদামের চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। চীনাবাদামের চাহিদার কথা মাথায় রেখে উন্নতমানের বীজ ও কৃষি উপযোগী পণ্য সরবরাহ করছে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব গ্রাউন্ড নাট রিসার্চের মেদিনীপুরের আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র। গত বছর এই গবেষণা কেন্দ্রটি বিনামূল্যে ১৫০ কুইন্টাল টিজি ৩৭ এ বাদাম বীজ ও শতাধিক স্প্রে মেশিন বিতরণ করেছিল। এরফলে পাঁচশোর বেশি চাষি উপকৃত হয়েছিলেন। এবছর কে-১৮১২ ও ভি আর আই -১০ প্রজাতির বীজ বিনামূল্যে চাষিদের দেওয়া হয়েছে। এরফলে তিন জেলার কেশিয়াড়ি, এগরা-১, এগরা-২, পাঁশকুড়া, ঝাড়গ্রাম, বিনপুর, বড়বাড়ুয়া, বেলদা সহ একাধিক এলাকার বাদাম চাষিরা উপকৃত হয়েছেন।
গবেষণা কেন্দ্রের এক আধিকারিক বলেন, বাদাম বীজ বিতরণের পাশাপাশি চাষিদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। এই তিন জেলা ছাড়াও হাওড়া ও হুগলি জেলাতেও চীনাবাদাম চাষ বাড়ছে। রাজ্যজুড়ে ৭৩ হাজার হেক্টর জমিতে চীনাবাদাম চাষ হচ্ছে। উৎপাদিত উন্নতমানের চীনাবাদাম বিদেশেও রপ্তানি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। চীনাবাদাম চাষি অর্ণব মান্না বললেন, গবেষণা কেন্দ্রের তরফে অনেক সাহায্য করা হয়। চীনাবাদাম চাষ করে ভালোই লাভ হচ্ছে। সারা বছর এই বাদামের চাহিদা থাকে।প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের তরফে শিল্পের পাশাপাশি কৃষি ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিকল্প চাষ বাড়াতে চাষিদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই জেলার প্রতিটি ব্লকে নতুন ধরনের চাষের প্রবণতা বেড়েছে। ধান, সব্জি চাষের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের চীনাবাদাম চাষও করছেন চাষিরা। জানা গিয়েছে, চীনাবাদাম গোটা দেশে অন্যতম অর্থকরী ফসল হিসাবে বিবেচিত হয়। এরাজ্যে চীনাবাদাম চাষের চাহিদা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। গত বছরের তুলনায় রাজ্যে এবছর প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে চীনাবাদামের চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। চীনাবাদামের চাহিদার কথা মাথায় রেখে উন্নতমানের বীজ ও কৃষি উপযোগী পণ্য সরবরাহ করছে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব গ্রাউন্ড নাট রিসার্চের মেদিনীপুরের আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র। গত বছর এই গবেষণা কেন্দ্রটি বিনামূল্যে ১৫০ কুইন্টাল টিজি ৩৭ এ বাদাম বীজ ও শতাধিক স্প্রে মেশিন বিতরণ করেছিল। এরফলে পাঁচশোর বেশি চাষি উপকৃত হয়েছিলেন। এবছর কে-১৮১২ ও ভি আর আই -১০ প্রজাতির বীজ বিনামূল্যে চাষিদের দেওয়া হয়েছে। এরফলে তিন জেলার কেশিয়াড়ি, এগরা-১, এগরা-২, পাঁশকুড়া, ঝাড়গ্রাম, বিনপুর, বড়বাড়ুয়া, বেলদা সহ একাধিক এলাকার বাদাম চাষিরা উপকৃত হয়েছেন।



