নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ট্রাফিক পুলিসের তৎপরতায় দুই কোলের সন্তানকে ফিরে পেলেন বিহারের দম্পতি। সন্তানদের বাসের রেখেই শৌচকর্ম করতে বাস থেকে নেমেছিলেন বাবা-মা। ফিরে এসে দেখেন বাস ছেড়ে দিয়েছে। গভীর রাতে বাসের পিছনে ছুটেও লাভ হয়নি। অবশেষে পুলিসি হস্তক্ষেপে সন্তানদের ফিরে পেয়ে তাঁরা বাংলার পুলিসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বুধবার গভীর রাতে কাঁকসা থানার বাঁশকোপ টোল প্লাজায় ঘটনাটি ঘটে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ টোলপ্লাজার কাছে এক দম্পতিকে কাঁদতে দেখেন মুচিপাড়া ট্রাফিক গার্ডের নাইট হাইওয়ে মোবাইল টিমের অফিসাররা। এএসআই এনামুল হক কান্নায় ভেঙে পড়া বাবার কাছে গিয়ে সমস্যার কথা জানতে চান।
Advertisement
তখন বিহারের বাসিন্দা জাহির আনসারি জানান, তাঁর বোনের কন্যা মারা গিয়েছে। রাতের বাস ধরেই পরিবার নিয়ে তাঁরা সেখানে যাচ্ছিলেন। বাসটি বাঁশকোপা টোল প্লাজায় দাঁড়ায়। তখনই শৌচকর্ম করার জন্য বাস থেকে স্ত্রীকে নিয়ে নামেন। ফিরে এসে দেখেন বাস নেই। কান্নায় ভেঙে পড়ে তাঁর স্ত্রী জানান, বাসে তাঁদের তিন বছর ও ছ’মাসের সন্তান রয়েছে। টাকার ব্যাগও বাসে।
এই খবর জানতে পেরেই তৎপর হয় পুলিস। বিভিন্ন থানায় খবর দিয়ে জানা যায়, বাসটি তখন পালসিট টোল প্লাজার কাছে রয়েছে। সেখানকার পুলিসের সহযোগিতায় বাসটি থামানো হয়। ট্রাফিক পুলিসের তরফে পরবর্তী বাস থামিয়ে দম্পতিকে তুলে দেওয়া হয়। বাসের চালক খালাসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়, তাঁদের নির্দিষ্ট বাসটিতে তুলে দিতে হবে। প্রথম বাসের চালককে জানিয়ে দেওয়া হয় পরবর্তী বাসটি পালসিট না যাওয়ার পর্যন্ত সেখানে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। জাহির ও তাঁর স্ত্রী পালসিটে গিয়ে যখন সন্তানদের মুখ দেখেন, তখন ভোর হয়ে গিয়েছে। দুই সন্তানকে সুস্থ অবস্থায় পেয়ে বেজায় খুশি দু’জনেই। সহযাত্রীদের কিছুটা হয়রানির শিকার হতে হলেও বাবা-মাকে দেখে খুদেদের হাসি দেখে তাঁদের বিরক্তিও গায়েব।ডিসি ভিজি সতীশ পশুমূর্তি বলেন, পুলিস কর্মীরা ভালো কাজ করেছেন। মানুষের সাহায্য করা, দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণের জন্যই নাইট হাইওয়ে মোবাইল টিম গঠন করা হয়েছে।
এই খবর জানতে পেরেই তৎপর হয় পুলিস। বিভিন্ন থানায় খবর দিয়ে জানা যায়, বাসটি তখন পালসিট টোল প্লাজার কাছে রয়েছে। সেখানকার পুলিসের সহযোগিতায় বাসটি থামানো হয়। ট্রাফিক পুলিসের তরফে পরবর্তী বাস থামিয়ে দম্পতিকে তুলে দেওয়া হয়। বাসের চালক খালাসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়, তাঁদের নির্দিষ্ট বাসটিতে তুলে দিতে হবে। প্রথম বাসের চালককে জানিয়ে দেওয়া হয় পরবর্তী বাসটি পালসিট না যাওয়ার পর্যন্ত সেখানে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। জাহির ও তাঁর স্ত্রী পালসিটে গিয়ে যখন সন্তানদের মুখ দেখেন, তখন ভোর হয়ে গিয়েছে। দুই সন্তানকে সুস্থ অবস্থায় পেয়ে বেজায় খুশি দু’জনেই। সহযাত্রীদের কিছুটা হয়রানির শিকার হতে হলেও বাবা-মাকে দেখে খুদেদের হাসি দেখে তাঁদের বিরক্তিও গায়েব।ডিসি ভিজি সতীশ পশুমূর্তি বলেন, পুলিস কর্মীরা ভালো কাজ করেছেন। মানুষের সাহায্য করা, দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণের জন্যই নাইট হাইওয়ে মোবাইল টিম গঠন করা হয়েছে।



