নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশিদের আশ্রয় দিতে দুই বর্ধমানজুড়ে তৈরি হয়েছে চক্র। এই চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে সুদীপ দাস নামে এক এজেন্টকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। সে রাজু আহমেদ নামে এক আওয়ামি লিগের নেতাকে আশ্রয় দেওয়ার বন্দোবস্ত করেছিল। তাকে বর্ধমানের বাজেপ্রতাপপুরের একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার ওই বাড়ি থেকে আকাশ নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ধমান থানার পুলিস। জেরায় সে পুলিসকে জানিয়েছে, তার বাড়ি ত্রিপুরার আগরতলা জেলার পানিসাগর থানার নাগেসওয়ারা গ্রামে। তার দেওয়া তথ্য যাচাই করতে বর্ধমান থানা পশ্চিম ত্রিপুরার এসডিপিওর সঙ্গে যোগাযোগ করে। তিনি জানিয়ে দেন, ওই নামে কোনও জেলা ও গ্রাম নেই। সে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে।
Advertisement
প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, ধৃত ব্যক্তিও সীমান্ত টপকে এসেছিল। সেও ধৃত বাংলাদেশি রাজু আহমেদের সঙ্গে রাজমিস্ত্রির জোগানদারের কাজ করত। প্রায় দেড় মাস ধরে বর্ধমানে রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিস সুপার অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ধৃতরা কী উদ্দেশ্যে এখানে আশ্রয় নিয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউনুস জমানা শুরু হওয়ার পর আওয়ামি লিগের বহু নেতা এরাজ্যে আশ্রয় নিয়েছে। এই ইনপুট আসার পর প্রতিটি জেলাকে সতর্ক করা হয়। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিকে বাড়তি নজরদারি চালাতে বলা হয়। উত্তর ২৪পরগনা, নদীয়ার মতো জেলাগুলি থেকে অনেকেই পাকড়াও হয়। এরাজ্যের এজেন্টরাই তাদের টাকার বিনিময়ে ঘরভাড়ার ব্যবস্থা বা পরিচয়পত্র তৈরি করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিল। সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে ধরপাকড় শুরু হতেই তারা ডেরা বদলাতে থাকে। সীমান্ত থেকে বর্ধমান জেলা অনেকটা দূরে। এখানে পুলিস তেমন নজর দেবে না। এমনটা ধরে নিয়েই তারা এই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বাংলাদেশিদের থাকার ব্যবস্থা করে দেয়।
এক পুলিস আধিকারিক বলেন, আরও অনেকে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পারে। আত্মরক্ষার জন্যই তারা সীমান্ত টপকে আসছে। বাজেপ্রতাপপুর সহ জেলার কয়েকটি এলাকায় বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে। ওই এলাকাগুলিতে বাইরে থেকে কেউ এসে ঘরভাড়া নিলে স্থানীয় থানায় জানানোর জন্য বলা হয়েছে। পুলিসের নিজেদের সোর্সও মজবুত করা হয়েছে। তাতেই সাফল্য পাওয়া গিয়েছে। বাংলাদেশের ওই অনুপ্রবেশকারীকে দেখে এলাকার বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। সেই খবর পেয়েই পুলিস সেখানে অভিযান চালায়। পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ‘নিরাপদ’ জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য এজেন্টরা ৩০-৩৫ হাজার টাকা করে নেয়। আসানসোলের ওই বাসিন্দা আর কতজনকে দুই জেলায় আশ্রয় দিয়ে রেখেছে, তা জানার জন্য পুলিস তাকে জেরা শুরু করেছে। সে কয়েকজনের নাম পুলিসকে জানিয়েছে। সেই তথ্যর ভিত্তিতেই এদিন নতুন করে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে বলে পুলিস জানিয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউনুস জমানা শুরু হওয়ার পর আওয়ামি লিগের বহু নেতা এরাজ্যে আশ্রয় নিয়েছে। এই ইনপুট আসার পর প্রতিটি জেলাকে সতর্ক করা হয়। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিকে বাড়তি নজরদারি চালাতে বলা হয়। উত্তর ২৪পরগনা, নদীয়ার মতো জেলাগুলি থেকে অনেকেই পাকড়াও হয়। এরাজ্যের এজেন্টরাই তাদের টাকার বিনিময়ে ঘরভাড়ার ব্যবস্থা বা পরিচয়পত্র তৈরি করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিল। সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে ধরপাকড় শুরু হতেই তারা ডেরা বদলাতে থাকে। সীমান্ত থেকে বর্ধমান জেলা অনেকটা দূরে। এখানে পুলিস তেমন নজর দেবে না। এমনটা ধরে নিয়েই তারা এই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বাংলাদেশিদের থাকার ব্যবস্থা করে দেয়।
এক পুলিস আধিকারিক বলেন, আরও অনেকে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পারে। আত্মরক্ষার জন্যই তারা সীমান্ত টপকে আসছে। বাজেপ্রতাপপুর সহ জেলার কয়েকটি এলাকায় বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে। ওই এলাকাগুলিতে বাইরে থেকে কেউ এসে ঘরভাড়া নিলে স্থানীয় থানায় জানানোর জন্য বলা হয়েছে। পুলিসের নিজেদের সোর্সও মজবুত করা হয়েছে। তাতেই সাফল্য পাওয়া গিয়েছে। বাংলাদেশের ওই অনুপ্রবেশকারীকে দেখে এলাকার বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। সেই খবর পেয়েই পুলিস সেখানে অভিযান চালায়। পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ‘নিরাপদ’ জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য এজেন্টরা ৩০-৩৫ হাজার টাকা করে নেয়। আসানসোলের ওই বাসিন্দা আর কতজনকে দুই জেলায় আশ্রয় দিয়ে রেখেছে, তা জানার জন্য পুলিস তাকে জেরা শুরু করেছে। সে কয়েকজনের নাম পুলিসকে জানিয়েছে। সেই তথ্যর ভিত্তিতেই এদিন নতুন করে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে বলে পুলিস জানিয়েছে।



