Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ধৃতদের বালুরঘাটে এনে পুলিস হেফাজতে চলবে জিজ্ঞাসাবাদ

ধৃতদের বালুরঘাটে এনে পুলিস হেফাজতে চলবে জিজ্ঞাসাবাদ
  • ৩০ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, পতিরাম: পুরসভার চেক জালিয়াতি কাণ্ডে ধৃতদের বালুরঘাটে আনা হল। কলকাতায় বসেই চেক জালিয়াতি করে ১৪ লক্ষ টাকা তুলেছিল ওই দুই অভিযুক্ত। ব্যাঙ্কের তরফে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতার মুচিয়াপাড়া থানার পুলিস ওই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছিল। এবার মুচিয়াপাড়া থানার হেফাজত থেকে নিজেদের হেফাজতে নিল বালুরঘাট থানার পুলিস। ওই দুই অভিযুক্তকে শুক্রবার বালুরঘাট জেলা আদালতে তোলা হয়। আদালত তাদেরকে পুলিস রিমান্ডের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, বালুরঘাট থেকেই ওই দুই অভিযুক্তকে কেউ বা কারা তথ্য দিয়েছিল। কিন্তু কারা এই জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে যুক্ত তার কিনারা পুলিস এখনও করতে পারেনি। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সেই লিঙ্ক বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
Advertisement
এবিষয়ে বালুরঘাট থানার আইসি শান্তিনাথ পাঁজা বলেন, অভিযুক্তদের বালুরঘাটে আনা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে পুলিস রিমান্ডে নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। 
পুলিস সূত্রে খবর, ধৃতদের মধ্যে একজন মহম্মদ ইশাক খান। বালুরঘাট পুরসভার জাল চেকে এই মহম্মদ ইশাক খানেরই সই ছিল। তার অ্যাকাউন্টেই পুরসভার সাড়ে ১৪ লক্ষ টাকা ঢুকেছে। ওয়াসিম আক্রাম নামে ওই চক্রের আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই দু’জনকেই বালুরঘাটে আনা হয়েছে। এদিকে গত ১২ এবং ১৩ নভেম্বর বালুরঘাট পুরসভার তিনটি চেক থেকে টাকা তোলা হয়। সবমিলিয়ে ১৪ লক্ষ ৪০ হাজার ৬৮ টাকা পুরসভার ওই অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব হয়ে যায়।
গত ১৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় বিষয়টি নজরে আসতেই রাতেই বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। এনিয়ে শোরগোল পড়ে যায় বালুরঘাটে। বালুরঘাট পুরসভার একটি ফান্ডের ওই টাকা তেমনভাবে খরচ করা হয় না। সেই টাকা কীভাবে ওই জালিয়াতদের নজরে এল, তা নিয়ে এখনও রহস্য কাটেনি। পুলিসের অনুমান, কেউ বা কারা ওই দু’জনকে এখান থেকেই সাহায্য করেছে। শুধু তাই নয়, ধৃতদের সঙ্গে আরও বড় মাথা যুক্ত রয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অন্যান্য থানাতেও নানা ধরনের আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে।
সম্পর্কিত সংবাদ