নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: কোচবিহারের বাসিন্দা হলেও পাঁচ বছর আগে বিয়ে করে শিলিগুড়ির দশরথপল্লিতে ঠাঁই নিয়েছিল সিম কার্ড কাণ্ডে জড়িত অপরাধী বিপ্লব মল্লিক। দীর্ঘদিন ধরে সিম কার্ড বিক্রির এজেন্ট হিসেবে কাজ করত সে। বিভিন্ন মানুষের নথিপত্র এবং বায়োমেট্রিক নকল করে সিম বের করে তা সাইবার অপরাধীদের হাতে তুলে দেওয়াই ছিল বিপ্লবের পেশা। সেই সকল সিম ব্যবহার করে সাইবার অপরাধীরা লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা করত। কলকাতা সাইবার ক্রাইম বিভাগ এ বিষয়ে একটি স্ক্রুটিনি করার পর সাতটি এমন সিম কার্ডের হদিশ পায়। সেই সকল সিম কার্ড দেখেই শেষ পর্যন্ত পুলিসে জালে ধরা পড়ে বিপ্লব।
Advertisement
উল্লেখ্য, গত শনিবার মাটিগাড়া থানার পুলিসের হাতে ধরা পড়ে বিপ্লব। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। এরপরই পুলিস রবিবার শিলিগুড়ি আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে নেয়। ধৃতকে প্রাথমিক জেরায় একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তদন্তকারী অফিসাররা। এ প্রসঙ্গে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পশ্চিম) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, আমরা ওই যুবককে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত করছি। গ্রাহকের অজান্তে তাঁদের নথি দিয়ে একাধিক সিম বের করেছিল সে।
পুলিস সূত্রেই জানা গিয়েছে, এর আগে পুরুলিয়াতেও এই যুবকের বিরুদ্ধে একই ধরনের মামলায় রুজু হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই প্রথমবার এমন ধরনের ঘটনা সে ঘটায়নি বলেই দাবি করছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের দাবি, একএকটি সিম কার্ড বিক্রি করে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা সে আয় করত।
পুলিস সূত্রেই জানা গিয়েছে, এর আগে পুরুলিয়াতেও এই যুবকের বিরুদ্ধে একই ধরনের মামলায় রুজু হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই প্রথমবার এমন ধরনের ঘটনা সে ঘটায়নি বলেই দাবি করছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের দাবি, একএকটি সিম কার্ড বিক্রি করে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা সে আয় করত।



