নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও আরামবাগ: যাদবপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে সোমবার বাম ছাত্র সংগঠনগুলির ডাকে ধর্মঘটে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও আরামবাগে আংশিক প্রভাব পড়ে। এদিন বাঁকুড়া ও আরামবাগে বচসা, কথাকাটিকে কেন্দ্র করে সাময়িক উত্তেজনা ছড়ায়।
Advertisement
এসএফআইয়ের বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক অনির্বাণ গোস্বামী বলেন, ধর্মঘটের সমর্থনে বিশ্ববিদ্যালয়ে টাঙানো পোস্টার কারা ছিঁড়ল তা চিহ্নিত করতে সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখার দাবি তুলেছি। দুষ্কৃতীদের শাস্তির দাবিও তোলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলায় আমরা এদিন প্রতীকী ধর্মঘট পালন করেছি।
এসএফআইয়ের তরফে পুরুলিয়ার জেকে কলেজের গেটে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। সেখানে সংগঠনের নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন। এসএফআইয়ের জেলা সভাপতি সায়ন্তন ঘোষ বলেন, এদিনের ধর্মঘটে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। ধর্মঘটে সাড়া দিয়ে অধিকাংশ পড়ুয়া কলেজে আসেনি।
বিকেলে গোঘাটের কামারপুকুর এলাকার লাহাবাজারে সিপিএমের একটি বুকস্টল ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও দলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মতিথি উপলক্ষ্যে কামারপুকুরে একটি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় রাস্তার ধারে সিপিএমের পক্ষ থেকে একটি বুকস্টল তৈরি করা হয়েছিল। স্থানীয় সিপিএম নেতা তিলক ঘোষের অভিযোগ, দু’জন কর্মী বুকস্টলে বসেছিলেন।
তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী বুকস্টলে হামলা চালিয়ে বইপত্র তছনছ করেছে। আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি। স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাজদীপ দে বলেন, ওই এলাকায় আমাদের পথসভা হচ্ছিল। তা বানচাল করার জন্যই মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
এসএফআইয়ের তরফে পুরুলিয়ার জেকে কলেজের গেটে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। সেখানে সংগঠনের নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন। এসএফআইয়ের জেলা সভাপতি সায়ন্তন ঘোষ বলেন, এদিনের ধর্মঘটে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। ধর্মঘটে সাড়া দিয়ে অধিকাংশ পড়ুয়া কলেজে আসেনি।
বিকেলে গোঘাটের কামারপুকুর এলাকার লাহাবাজারে সিপিএমের একটি বুকস্টল ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও দলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মতিথি উপলক্ষ্যে কামারপুকুরে একটি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় রাস্তার ধারে সিপিএমের পক্ষ থেকে একটি বুকস্টল তৈরি করা হয়েছিল। স্থানীয় সিপিএম নেতা তিলক ঘোষের অভিযোগ, দু’জন কর্মী বুকস্টলে বসেছিলেন।
তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী বুকস্টলে হামলা চালিয়ে বইপত্র তছনছ করেছে। আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি। স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাজদীপ দে বলেন, ওই এলাকায় আমাদের পথসভা হচ্ছিল। তা বানচাল করার জন্যই মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।



