সংবাদদাতা, শীতলকুচি: নদীর জল কমতেই সক্রিয় বালি মাফিয়ারা। ধরলা নদীতে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণ করে দেদার বালি চুরির অভিযোগ উঠছে শীতলকুচি ব্লকের রাঙামাটি এলাকায়। এরজেরে নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও ভাঙনের আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।
Advertisement
স্থানীয়দের অভিযোগ, ধরলা নদীতে বালি দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করে দেদার বালি উত্তোলন করা হচ্ছে। তারপর সেই বালি গাড়িতে অন্যত্র পাচার করা হচ্ছে। প্রশাসনিক নজরদারির অভাবে বেশ কিছুদিন ধরেই করবার চলছে বলে অভিযোগ। যদিও, শীতলকুচি বিএলআরও প্রভাস পাহান জানান, বালি চুরি রুখতে নিয়মিত অভিযান চলছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবেন।
ধরলা নদীর একদিকে শীতলকুচির ব্লকের রাঙামাটি এলাকা অপরদিকে মাথাভাঙ্গা-১ ব্লকের জোড়পাটকি। মাঝ দিয়ে বয়ে গিয়েছে ধরলা নদী। শীতকালে নদীর জল কমতেই অবৈধভাবে বালি উত্তোলন শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হলেও বালি মাফিয়ারা বেপরোয়া হওয়ার কেউ মুখ খুলতে সাহস দেখান না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা জানান, বেশকিছুদিন ধরে এই কারবার চলছে। প্রশাসনিক নজরদারি অভাব রয়েছে তাই অবৈধভাবে নদীর গতিপথ আটকে বালি চুরি হচ্ছে। নদীবক্ষে বাঁধ নির্মাণ ও অবাধে বালি উত্তোলনের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হওয়ার আশঙ্কা করছি। বর্ষাকালে নদীর জল বাড়লে বহু কৃষিজমি নদী গর্ভে বিলীন হতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে সেচদপ্তরের মাথাভাঙার অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শ্রীবাস ঘোষ বলেন, নদীতে বাঁধ নির্মাণের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ধরলা নদীর একদিকে শীতলকুচির ব্লকের রাঙামাটি এলাকা অপরদিকে মাথাভাঙ্গা-১ ব্লকের জোড়পাটকি। মাঝ দিয়ে বয়ে গিয়েছে ধরলা নদী। শীতকালে নদীর জল কমতেই অবৈধভাবে বালি উত্তোলন শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হলেও বালি মাফিয়ারা বেপরোয়া হওয়ার কেউ মুখ খুলতে সাহস দেখান না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা জানান, বেশকিছুদিন ধরে এই কারবার চলছে। প্রশাসনিক নজরদারি অভাব রয়েছে তাই অবৈধভাবে নদীর গতিপথ আটকে বালি চুরি হচ্ছে। নদীবক্ষে বাঁধ নির্মাণ ও অবাধে বালি উত্তোলনের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হওয়ার আশঙ্কা করছি। বর্ষাকালে নদীর জল বাড়লে বহু কৃষিজমি নদী গর্ভে বিলীন হতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে সেচদপ্তরের মাথাভাঙার অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শ্রীবাস ঘোষ বলেন, নদীতে বাঁধ নির্মাণের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



