সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: পাঁচমাস পেরিয়ে গেলেও ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে ১৮জন নার্স কাজে যোগ দেননি। নির্দেশিকা বেরানোর চার মাস পরও চারজন ডাক্তার কাজে যোগ দেননি। ফলে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে কী কারণে তারা হাসপাতালের কাজে যোগ দিচ্ছেন না, তা স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে পরিস্কার নয়।
Advertisement
উপনির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের পর ধূপগুড়িকে মহকুমা এবং পরবর্তীতে ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালকে মহাকুমা হাসপাতালে উন্নীত করা হয়। হাসপাতালকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। চলতি বছরের ১২ এপ্রিল ধূপগুড়ি হাসপাতালে চার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ করে স্বাস্থ্যদপ্তর। ধূপগুড়ি হাসপাতালে আগে ১৮ জন নার্স থাকলেও ১৮ জুন অপর একটি নির্দেশিকায় ৩৫ জন নার্সিংস্টাফকে বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে বদলি করে এই হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশিকা জারি হয়। ফলে সর্বমোট নার্সের সংজ্ঞা দাঁড়ায় ৫৩ জন। এরপর ফের ৩১জুলাই ১২ জন চিকিৎসক নিয়োগ করে স্বাস্থ্যদপ্তর।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, কয়েকজন চিকিৎসক হাসপাতালে আসলেও সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সাতজন চিকিৎসক হাসপাতালে কাজে যোগ দেয়নি। পরবর্তীতে তিনজন চিকিৎসক কাজে যোগ দিলেও এখনও চারজন চিকিৎসক কাজে যোগ দেননি। তবে মহাকুমা হাসপাতাল হওয়ার পর জোরকদমে চিকিৎসা শুরু করেছেন চিকিৎসকরা। প্রতিদিন ওপিডিতে রোগী দেখছেন চিকিৎসকরা। তেমনই হাসপাতালে এসেছে কিছু অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। তবে, পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘরের অভাব রয়েছে হাসপাতালে। সূত্রের দাবি, পাঁচতলা বিশিষ্ট হাসপাতাল না হলে সমস্ত পরিষেবার চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। আর মহকুমা হাসপাতালে পরিষেবার জন্য যা যা প্রয়োজন তার সমস্তটাই শীঘ্রই দেওয়ার দাবি তুলছেন ধূপগুড়িবাসী। বিএমওএইচ ডাঃ অঙ্কুর চক্রবর্তী বলেন, এখনো চারজন চিকিৎসক ও ১৮ জন নার্স কাজ যোগ দেয়নি। তবে কারণ পরিষ্কারভাবে বলা সম্ভব হচ্ছে না। ধীরে ধীরে হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নত হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, কয়েকজন চিকিৎসক হাসপাতালে আসলেও সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সাতজন চিকিৎসক হাসপাতালে কাজে যোগ দেয়নি। পরবর্তীতে তিনজন চিকিৎসক কাজে যোগ দিলেও এখনও চারজন চিকিৎসক কাজে যোগ দেননি। তবে মহাকুমা হাসপাতাল হওয়ার পর জোরকদমে চিকিৎসা শুরু করেছেন চিকিৎসকরা। প্রতিদিন ওপিডিতে রোগী দেখছেন চিকিৎসকরা। তেমনই হাসপাতালে এসেছে কিছু অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। তবে, পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘরের অভাব রয়েছে হাসপাতালে। সূত্রের দাবি, পাঁচতলা বিশিষ্ট হাসপাতাল না হলে সমস্ত পরিষেবার চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। আর মহকুমা হাসপাতালে পরিষেবার জন্য যা যা প্রয়োজন তার সমস্তটাই শীঘ্রই দেওয়ার দাবি তুলছেন ধূপগুড়িবাসী। বিএমওএইচ ডাঃ অঙ্কুর চক্রবর্তী বলেন, এখনো চারজন চিকিৎসক ও ১৮ জন নার্স কাজ যোগ দেয়নি। তবে কারণ পরিষ্কারভাবে বলা সম্ভব হচ্ছে না। ধীরে ধীরে হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নত হচ্ছে।



