নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: ধানতলা থানার দত্তপুলিয়ায় বধূর রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার দত্তপুলিয়ার ঝাপানতলা পাড়ায় সুস্মিতা বিশ্বাস(২৩) নামে ওই বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিস। বধূর বাপের বাড়ির লোকজনের অভিযোগ, পণের দাবিতে সুস্মিতার উপর নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চলত। তাঁদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস তদন্ত শুরু করেছে।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, তেহট্টের দত্তপাড়ার বাসিন্দা গোপাল হালদারের একমাত্র মেয়ে সুস্মিতা। দু’বছর আগে দত্তপুলিয়ার বাসিন্দা প্রশান্ত বিশ্বাসের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। অভিযুক্ত প্রশান্ত কলকাতার একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী। মৃতার পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের সময় প্রায় দু’লক্ষ টাকা পণ ও অন্য আসবাবপত্র নিয়েছিল জামাই। কিন্তু বিয়ের পরও নানা সময়ে পণের দাবিতে সুস্মিতার উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করা হতো। সম্প্রতি বাপের বাড়ি থেকে ৫৫হাজার টাকা আনতে বলে ওই বধূর উপর অত্যাচার শুরু হয়। সুস্মিতার বাপের বাড়ি থেকে প্রথমে অনলাইনে ৩২হাজার ও পরে নগদ ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। মৃতার বাবা গোপাল হালদার বলেন, প্রতিদিন আমার মেয়েটাকে মারধর করা হতো। ৫৫হাজার টাকা চাইলে আমরা দু’দফার ৫৭ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু তারপর ফের ৫০হাজার টাকা চেয়ে অত্যাচার শুরু হয়। এর মাঝে বৃহস্পতিবার হঠাৎ ওর শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন করে জানায়, আমার মেয়ে নাকি আত্মহত্যা করেছে। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, মেয়েকে খুন করা হয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, এঘটনায় সুস্মিতার স্বামী ছাড়াও শ্বশুর স্বপন বিশ্বাস, শাশুড়ি বিজলি বিশ্বাস ও ননদ পিঙ্কি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বধূনির্যাতন ও বধূহত্যার নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। তবে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত কাউকেই গ্রেপ্তার করা হয়নি। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রানাঘাট পুলিস মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিসের এক কর্তা বলেন, আমরা নির্দিষ্ট কিছু ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত করছি।
পুলিস জানিয়েছে, এঘটনায় সুস্মিতার স্বামী ছাড়াও শ্বশুর স্বপন বিশ্বাস, শাশুড়ি বিজলি বিশ্বাস ও ননদ পিঙ্কি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বধূনির্যাতন ও বধূহত্যার নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। তবে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত কাউকেই গ্রেপ্তার করা হয়নি। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রানাঘাট পুলিস মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিসের এক কর্তা বলেন, আমরা নির্দিষ্ট কিছু ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত করছি।



