সংবাদদাতা, হলদিবাড়ি: খরচ ও পরিশ্রম অনেকটাই বেশি পাট চাষে, ফলে পাট চাষ থেকে আগ্ৰহ হারাচ্ছেন হলদিবাড়ির কৃষকরা। পরিবর্তে তাঁরা ভুট্টা চাষে ঝুঁকছেন। যার ফলে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ভুট্টা চাষের এলাকা।
Advertisement
কৃষিবলয় নামে পরিচিত কোচবিহার জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হলদিবাড়ি ব্লক। এই ব্লকে ধান, পাট, উৎকৃষ্ট মানের টম্যাটো, লঙ্কা সহ বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন ফসল ফলে। ব্লকের চাষিরা জানান, পাট চাষে জমি তৈরি থেকে পাট জাঁক দেওয়ায় পর্যন্ত প্রচুর খরচ। শ্রমও লাগে বেশি। পাট জাঁক দেওয়ার জন্য নেই পর্যাপ্ত পুকুরও। যেকারণে এলাকার অনেক দক্ষ শ্রমিক ভিনরাজ্যে পারি দিচ্ছেন।
তাছাড়া ভুট্টা চাষে ফলনও বেশি হয়। অন্যান্য ফসলের তুলনায় ভুট্টা চাষে ঝুঁকি অনেক কম। প্রাকৃতিক বিপর্যয় হলেও ক্ষতি হয় খুবই সামান্য। এক বিঘা জমিতে ভালোভাবে ভুট্টা চাষ করলে খরচ হয় ১৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে, পাট চাষে খরচ অনেক বেশি। পাট চাষে ক্ষতির সম্ভাবনা অনেকটাই জানান চাষিরা।
এ বিষয়ে হলদিবাড়ির ভুট্টা চাষি ইয়াসিন সরকার জানান, পাট চাষে খরচ অনেক বেশি। শিলাবৃষ্টি হলে পাট চাষে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। পাট জাঁক দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত জলের দরকার।
এদিকে, আগের মতো আর পুকুর কিংবা নয়ানজুলি নেই। আরএক চাষি বলেন, এক বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করলে খরচ হয় ১৩ হাজার টাকা। ভুট্টা চাষে লাভ অনেকটাই বেশি। তাই আমরা চাষিরা ভুট্টা চাষের দিকে ঝুঁকছি।
হলদিবাড়ি কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, ২০২৩ সালে ব্লকে ১২০০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছিল। এ বছর তা দাঁড়িয়েছে ১৪৫০ হেক্টর। দপ্তর থেকে হলদিবাড়ি ব্লকের তিন হাজার কৃষককে বিনামূল্যে ভুট্টার বীজ ও কীটনাশক দেওয়া হয়েছে। ব্লকের সহ কৃষি অধিকর্তা দীপ সিনহা বলেন, অন্যান্য ফসলের তুলনায় ভুট্টা চাষ করতে কৃষকদের অনেকটাই পরিশ্রম কম হয়। বিগত বছর ধরে ভুট্টার চাহিদা ও দাম এখন বেড়েছে। ভুট্টা বাড়িতে মজুত রাখা যায়। ফলে ভুট্টা চাষে আগ্রহ বাড়ছে ব্লকের চাষিদের।
তাছাড়া ভুট্টা চাষে ফলনও বেশি হয়। অন্যান্য ফসলের তুলনায় ভুট্টা চাষে ঝুঁকি অনেক কম। প্রাকৃতিক বিপর্যয় হলেও ক্ষতি হয় খুবই সামান্য। এক বিঘা জমিতে ভালোভাবে ভুট্টা চাষ করলে খরচ হয় ১৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে, পাট চাষে খরচ অনেক বেশি। পাট চাষে ক্ষতির সম্ভাবনা অনেকটাই জানান চাষিরা।
এ বিষয়ে হলদিবাড়ির ভুট্টা চাষি ইয়াসিন সরকার জানান, পাট চাষে খরচ অনেক বেশি। শিলাবৃষ্টি হলে পাট চাষে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। পাট জাঁক দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত জলের দরকার।
এদিকে, আগের মতো আর পুকুর কিংবা নয়ানজুলি নেই। আরএক চাষি বলেন, এক বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করলে খরচ হয় ১৩ হাজার টাকা। ভুট্টা চাষে লাভ অনেকটাই বেশি। তাই আমরা চাষিরা ভুট্টা চাষের দিকে ঝুঁকছি।
হলদিবাড়ি কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, ২০২৩ সালে ব্লকে ১২০০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছিল। এ বছর তা দাঁড়িয়েছে ১৪৫০ হেক্টর। দপ্তর থেকে হলদিবাড়ি ব্লকের তিন হাজার কৃষককে বিনামূল্যে ভুট্টার বীজ ও কীটনাশক দেওয়া হয়েছে। ব্লকের সহ কৃষি অধিকর্তা দীপ সিনহা বলেন, অন্যান্য ফসলের তুলনায় ভুট্টা চাষ করতে কৃষকদের অনেকটাই পরিশ্রম কম হয়। বিগত বছর ধরে ভুট্টার চাহিদা ও দাম এখন বেড়েছে। ভুট্টা বাড়িতে মজুত রাখা যায়। ফলে ভুট্টা চাষে আগ্রহ বাড়ছে ব্লকের চাষিদের।



