সংবাদদাতা, মানকর: ধানখেতে পোকার আক্রমণ রুখতে বুধবার গলসি-১ ব্লকে উপস্থিত হলেন চুঁচুড়া ধান্য গবেষণা কেন্দ্রের দুই বিজ্ঞানী দিলীপকুমার পাত্র ও মিতালি চট্টোপাধ্যায়। এদিন ব্লকের পারাজ অঞ্চলের জমি পরিদর্শন করেন তাঁরা। ধান চাষিরা বিজ্ঞানীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পেরে খুশি।
Advertisement
বর্ধমান জেলায় গলসি অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে ধান উৎপাদন হয়। কিন্তু পোকার আক্রমণ, আবহাওয়া সহ নানা কারণের জন্য অনেক জায়গাতেই ধান চাষ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন চাষিরা। বিশেষত পোকা নিয়ন্ত্রণ করা চাষিদের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতিতে বিজ্ঞানীদের পরিদর্শন কাজে আসবে বলেই মনে করছেন পারাজ অঞ্চলের চাষিরা। গলসি-১ কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বাদামি শোষক পোকার আক্রমণ দেখা যায় অনেক সময়। পাশাপাশি ধানে নতুন ধরনের রোগও দেখা যায়। কীভাবে তা নিরাময় হবে, যে কীটনাশক দেওয়া হচ্ছে তার পরিমাণই বা কত হবে? বিভিন্ন আলোচনা সভায় চাষিদের এই প্রশ্নগুলির উত্তর দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। চাষিরা বলেন, চাষ করতে গিয়ে যে সমস্ত ভুল হচ্ছিল ওনারা তা সংশোধন করে দিয়েছেন। অনেক সময় আমরা একই কীটনাশক ব্যবহার করি। তাতে পোকার প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে যায়। ফলে কীটনাশক দিলেও পোকার আক্রমণ থেকে রেহাই পাওয়া যায় না। নতুন ধরনের পোকা ও নিরাময়ের জন্য নতুন ধরনের কীটনাশক নিয়ে এদিন বিস্তারিত আলোচনা হয়। চাষি প্রশান্ত শ্যাম বলেন, কী ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করে শোষক পোকার আক্রমণ প্রতিহত করা যাবে এবং ফসল ঘরে তোলা যাবে তার পরামর্শ পেয়েছি। কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জমিতে বহু বন্ধুপোকা থাকে। তাই শত্রুপোকা নির্দিষ্ট পরিমাণ না হলে ঘাবড়ানোর দরকার নেই। নতুন কৃষকরা অনেক সময়ই ইকো ফ্রেন্ডলি কীটনাশকের কথা জানতে চান। সেই বিষয়েও এদিন কথা হয়েছে।
গলসি-১ ব্লকের কৃষি অধিকর্তা অরিন্দম দানা বলেন, এই এলাকায় আমন ও বোরো ধরনের ধান হয়। চাষ করতে গিয়ে যেসব সমস্যার মুখোমুখি তাঁদের হতে হয় তারমধ্যে অন্যতম পোকা। বিজ্ঞানীরা মাঠ পরিদর্শন করেছেন। সমস্যা সমাধান করার উপায় বলেছেন।
গলসি-১ ব্লকের কৃষি অধিকর্তা অরিন্দম দানা বলেন, এই এলাকায় আমন ও বোরো ধরনের ধান হয়। চাষ করতে গিয়ে যেসব সমস্যার মুখোমুখি তাঁদের হতে হয় তারমধ্যে অন্যতম পোকা। বিজ্ঞানীরা মাঠ পরিদর্শন করেছেন। সমস্যা সমাধান করার উপায় বলেছেন।



