নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ধান কেনার পরিমাণ বাড়ল। গতবছরের এই সময়ের তুলনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ হাজার মেট্রিক টন বেশি ধান কিনেছে খাদ্যদপ্তর। মোবাইল ধান ক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোর জেরে ধান কেনার পরিমাণ বেড়েছে। সেইসঙ্গে আগের বছর যেসব চাষি ধান বিক্রি করেছেন, প্রশাসনের আধিকারিকরা তাঁদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগও করছেন। আর তাতেই সাফল্য মিলেছে।
Advertisement
প্রশাসনের আধিকারিকরা জানান, জেলায় বন্যা পরিস্থিতির পর ঘূর্ণিঝড় ‘ডানা’র প্রভাব পড়েছিল। তা সত্ত্বেও ধান কেনার পরিমাণ বাড়ছে। বছরের শুরুর পরিসংখ্যান অনুসারে, প্রায় এক লক্ষ মেট্রিক টন ধান চাষিরা বিক্রি করেছেন। তাই তাড়াতাড়ি ধান কেনার টার্গেট পূরণ হবে বলেই প্রশাসন মনে করছে। গতবছরের তুলনায় ধানের দাম বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে চাষিরা সহায়কমূল্যে ধান বিক্রি করে উপকৃত হচ্ছেন। বহু চাষি ধান কেনার জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তবে জেলায় ফড়েরা এখনও আছে। তারা বেশি দাম দিয়ে ধান কেনার চেষ্টাও করছে।
জেলা খাদ্য নিয়ামক অরবিন্দ সরকার বলেন, গত বছরের তুলনায় ধান কেনার পরিমাণ বেড়েছে। এখন চাষিরা ধান বিক্রিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। মোবাইল ধান ক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ধান কেনার পরিমাণ বাড়ছে। আগে চাষিরা কুইন্টাল প্রতি ধান বিক্রি করে ২১৮২ টাকা পেতেন। এছাড়া, ক্রয়কেন্দ্রে ধান নিয়ে গেলে ২০টাকা ছাড় দেওয়া হতো। অন্যত্র বেশি পাওয়ায় চাষিরা সহায়কমূল্যে ধান বিক্রিতে আগ্রহ দেখাতেন না। এবছর ধানের সহায়কমূল্য বাড়িয়ে ২৩০০ টাকা করা হয়েছে। ধান ক্রয়কেন্দ্রে নিয়ে গেলে ছাড়ও দেওয়া হচ্ছে। গতবছর ৪ লক্ষ ৭ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু ২ লক্ষ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনতে পেরেছিল খাদ্যদপ্তর। এবছর ৩ লক্ষ ৬০ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
সহায়কমূল্যে ধান বিক্রির জন্য রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে জেলার সবং, ডেবরা, পিংলা, দাসপুর-১ ও ২ সহ বেশকিছু ব্লক ধান কেনার ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে। এই বিস্তীর্ণ এলাকার চাষিরা ধান বিক্রিতে অনীহা দেখাচ্ছেন। তবে গড়বেতা-৩, নারায়ণগড় সহ জেলার বেশ কিছু ব্লকে চাষিরা সহায়কমূল্যে ধান বিক্রিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ধান কাটার আগেই বাড়তি টাকা দিয়ে ফড়েরা বুকিং করে নেয়। তাই চাষিদের আগে থেকে ফোন করা হচ্ছে। বিভিন্ন সমিতির লোকজন চাষিদের বাড়ি বাড়িও যাচ্ছেন।
চন্দ্রকোণা রোড এলাকার চাষি সুনীল মণ্ডল বলেন, ধান বিক্রির প্রক্রিয়া আরও সহজ হলে চাষিদের সুবিধা হয়। তবে ধানের দাম বাড়ানোয় উপকার হচ্ছে। প্রশাসনের সহযোগিতা পাচ্ছি।
জেলা খাদ্য নিয়ামক অরবিন্দ সরকার বলেন, গত বছরের তুলনায় ধান কেনার পরিমাণ বেড়েছে। এখন চাষিরা ধান বিক্রিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। মোবাইল ধান ক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ধান কেনার পরিমাণ বাড়ছে। আগে চাষিরা কুইন্টাল প্রতি ধান বিক্রি করে ২১৮২ টাকা পেতেন। এছাড়া, ক্রয়কেন্দ্রে ধান নিয়ে গেলে ২০টাকা ছাড় দেওয়া হতো। অন্যত্র বেশি পাওয়ায় চাষিরা সহায়কমূল্যে ধান বিক্রিতে আগ্রহ দেখাতেন না। এবছর ধানের সহায়কমূল্য বাড়িয়ে ২৩০০ টাকা করা হয়েছে। ধান ক্রয়কেন্দ্রে নিয়ে গেলে ছাড়ও দেওয়া হচ্ছে। গতবছর ৪ লক্ষ ৭ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু ২ লক্ষ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনতে পেরেছিল খাদ্যদপ্তর। এবছর ৩ লক্ষ ৬০ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
সহায়কমূল্যে ধান বিক্রির জন্য রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে জেলার সবং, ডেবরা, পিংলা, দাসপুর-১ ও ২ সহ বেশকিছু ব্লক ধান কেনার ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে। এই বিস্তীর্ণ এলাকার চাষিরা ধান বিক্রিতে অনীহা দেখাচ্ছেন। তবে গড়বেতা-৩, নারায়ণগড় সহ জেলার বেশ কিছু ব্লকে চাষিরা সহায়কমূল্যে ধান বিক্রিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ধান কাটার আগেই বাড়তি টাকা দিয়ে ফড়েরা বুকিং করে নেয়। তাই চাষিদের আগে থেকে ফোন করা হচ্ছে। বিভিন্ন সমিতির লোকজন চাষিদের বাড়ি বাড়িও যাচ্ছেন।
চন্দ্রকোণা রোড এলাকার চাষি সুনীল মণ্ডল বলেন, ধান বিক্রির প্রক্রিয়া আরও সহজ হলে চাষিদের সুবিধা হয়। তবে ধানের দাম বাড়ানোয় উপকার হচ্ছে। প্রশাসনের সহযোগিতা পাচ্ছি।



