Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ধান কেনা শুরু, এবার টার্গেট তিন হাজার মেট্রিক টন বেশি

ধান কেনা শুরু, এবার টার্গেট তিন হাজার মেট্রিক টন বেশি
  • ২৭ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: ধান কেনা শুরু করেছে কোচবিহার জেলা খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহ দপ্তর। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই জেলাজুড়ে ৪৪টি ধান ক্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত নতুন ধান আসেনি ক্রয় কেন্দ্রগুলিতে। খাদ্যদপ্তরের দাবি, চাষিরা মাঠ থেকে ধান কেটে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন। ঝাড়াই করার পরই তাঁরা বিক্রির জন্য নিয়ে আসবেন। অপরদিকে, খোলা বাজারে নতুন ধান ব্যাপক হারে বিক্রি হচ্ছে। জেলার কৃষকদের দাবি, খোলা বাজারেও দাম ভালো থাকায় সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রিতে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছেন না কেউ।  
Advertisement
কোচবিহার জেলা খাদ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর জেলাকে ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে ২ লক্ষ ১৫ হাজার মেট্রিক টন। গত বছরের তুলনায় ৩ হাজার মেট্রিক টন বেশি। গতবছর টার্গেট ছিল ২ লক্ষ ১২ হাজার মেট্রিক টন। জেলা কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে জেলার ৯০ শতাংশ জমির ধান কাটার কাজ শেষ হয়েছে। তবে জমিতেই পড়ে রয়েছে বেশিরভাগ ধান। কিছু ধান বাড়িতে এনে ঝাড়াই করছেন কৃষকরা। তারই কিছু অংশ খোলা বাজারে বিক্রি করছেন। এবারে জেলায় আমন ধানের ফলনও ভালো হয়েছে। দপ্তরের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হওয়া নিয়ে কোনও সমস্যা হবে না। 
প্রসঙ্গত, সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি নিয়ে কৃষকদের একাংশ বরাবর উদাসীন। কৃষকদের দাবি, সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করতে হলে চটের বস্তা কিনতে হয়। এরপর ওজনে দিতে হয় ধলতা। গাড়ি ভাড়া মিটিয়ে লাভ থাকে সামান্য। এর চেয়ে সময় বাঁচিয়ে খোলা বাজারে বিক্রি করাই ভালো। কারণ এই মরশুমে আলু ও তামাক খেতে কাজের জন্য যথেষ্ট ব্যস্ত থাকেন কৃষকরা। 
এ ব্যাপারে কোচবিহার জেলা খাদ্য নিয়ামক মানিক সরকার বলেন, নভেম্বরের ২ তারিখ থেকে সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু হয়েছে। জেলার কৃষক বাজার সহ মোট ৪৪টি ধান ক্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এখন নতুন ধান আসা শুরু হয়নি। আমরা আশা করছি, কয়েকদিন পর নতুন ধান আসা শুরু করবে। ধান পরিষ্কার থাকলে ধলতার সমস্যা থাকবে না। গতবছরের চেয়ে ৩ হাজার মেট্রিক টন ধান বেশি কেনার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি, সময়ের আগেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে।  
সম্পর্কিত সংবাদ