নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: রবিবার রাতে একের পর এক বাড়িতে চুরি হওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ধুবুলিয়া থানার সোনডাঙার ডাঙাপাড়ায়। নগদ টাকা, সোনার গয়না, জামাকাপড় সহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিস নিয়ে চম্পট দেয় চোরেরা। দুঃসাহসিক এই চুরির ঘটনায় এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কিত। খবর পেয়ে ধুবুলিয়া থানার পুলিস সোমবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চুরির কিনারা করতে চাইছে পুলিস।
Advertisement
কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার ডিএসপি মত্তাকিনুর রহমান বলেন, খবর পেতেই পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। আমরা তদন্ত করছি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে, ১টা থেকে ৩টের মধ্যে চুরি হয়। প্রথমে এলাকার বাসিন্দার সজিত শেখের বাড়িতে যায় চোরেরা। তিনি ও তাঁর স্ত্রী যে ঘরে শুয়েছিলেন, সেই ঘরটির দরজা বাইরে থেকে গামছা দিয়ে বেঁধে দেয় চোরেরা। ঠিক তার পাশের ঘরেই শুয়েছিলেন সজিতের ছেলে ও বউমা। সেই ঘরে চোরেরা ঢুকতেই সকলে চিৎকার করতে শুরু করেন। ভয় পেয়ে চোরেরা রামদা ও চটি ফেলে পালিয়ে যায়। সেখান থেকে বেরিয়ে চোরেরা রফিক শেখের বাড়িতে যায়। ঘরে ঢুকে জামাকাপড় ভর্তি টিনের বাক্স নিয়ে বেরিয়ে আসে। কিছু নগদ অর্থ ও সোনার গয়না নিয়ে বাক্সটি স্থানীয় একটি খেলার মাঠে ফেলে দেয়। তারপর চোরেরা হানা দেয় নিয়ত শেখের বাড়িতে। সেখানেও ঘর থেকে বাক্স নিয়ে চম্পট দেয়। বাক্সে বেশকিছু শাড়ি, লুঙ্গি এবং নগদ টাকা ছিল। তারপর সেখান থেকে যায় জহির শেখের বাড়িতে। তাঁর বাড়ির সামনে একটা প্যান্ট ঝুলছিল। সেই প্যান্ট থেকে দেড় হাজার টাকা চুরি করা হয়। সেখান থেকে আকালি শেখের বাড়িতে হানা দেয় চোরেরা। বাড়ি থেকে টিনের বাক্স বের করে আনে। সেই বাক্স থেকে নগদ টাকা, জামাকাপড়, সোনার গয়না নিয়ে বাড়ির পাশের একটি কালভার্টে ফেলে দিয়ে পালায়। এছাড়া রবিবার রাতে আরও বেশকিছু বাড়িতে চোরের দল হানা দিয়েছিল। সোমবার সকাল হতেই বিষয়টি জানাজানি হয়। তারপর স্থানীয় বাসিন্দারা ধুবুলিয়া থানায় খবর দেয়।
এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী শাবু শেখ বলেন, রবিবার রাত একটা থেকে তিনটের মধ্যে আমাদের গ্রামের দশটি বাড়িতে চুরি হয়েছে। যে সমস্ত বাড়ির দরজা রাতে খোলা ছিল, সেই বাড়িতেই চোরেরা ঢোকে। পুলিস এসেছিল। আমাদের অনুমান নেশাখোররাই এই কাজে যুক্ত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে, ১টা থেকে ৩টের মধ্যে চুরি হয়। প্রথমে এলাকার বাসিন্দার সজিত শেখের বাড়িতে যায় চোরেরা। তিনি ও তাঁর স্ত্রী যে ঘরে শুয়েছিলেন, সেই ঘরটির দরজা বাইরে থেকে গামছা দিয়ে বেঁধে দেয় চোরেরা। ঠিক তার পাশের ঘরেই শুয়েছিলেন সজিতের ছেলে ও বউমা। সেই ঘরে চোরেরা ঢুকতেই সকলে চিৎকার করতে শুরু করেন। ভয় পেয়ে চোরেরা রামদা ও চটি ফেলে পালিয়ে যায়। সেখান থেকে বেরিয়ে চোরেরা রফিক শেখের বাড়িতে যায়। ঘরে ঢুকে জামাকাপড় ভর্তি টিনের বাক্স নিয়ে বেরিয়ে আসে। কিছু নগদ অর্থ ও সোনার গয়না নিয়ে বাক্সটি স্থানীয় একটি খেলার মাঠে ফেলে দেয়। তারপর চোরেরা হানা দেয় নিয়ত শেখের বাড়িতে। সেখানেও ঘর থেকে বাক্স নিয়ে চম্পট দেয়। বাক্সে বেশকিছু শাড়ি, লুঙ্গি এবং নগদ টাকা ছিল। তারপর সেখান থেকে যায় জহির শেখের বাড়িতে। তাঁর বাড়ির সামনে একটা প্যান্ট ঝুলছিল। সেই প্যান্ট থেকে দেড় হাজার টাকা চুরি করা হয়। সেখান থেকে আকালি শেখের বাড়িতে হানা দেয় চোরেরা। বাড়ি থেকে টিনের বাক্স বের করে আনে। সেই বাক্স থেকে নগদ টাকা, জামাকাপড়, সোনার গয়না নিয়ে বাড়ির পাশের একটি কালভার্টে ফেলে দিয়ে পালায়। এছাড়া রবিবার রাতে আরও বেশকিছু বাড়িতে চোরের দল হানা দিয়েছিল। সোমবার সকাল হতেই বিষয়টি জানাজানি হয়। তারপর স্থানীয় বাসিন্দারা ধুবুলিয়া থানায় খবর দেয়।
এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী শাবু শেখ বলেন, রবিবার রাত একটা থেকে তিনটের মধ্যে আমাদের গ্রামের দশটি বাড়িতে চুরি হয়েছে। যে সমস্ত বাড়ির দরজা রাতে খোলা ছিল, সেই বাড়িতেই চোরেরা ঢোকে। পুলিস এসেছিল। আমাদের অনুমান নেশাখোররাই এই কাজে যুক্ত।



