নিজস্ব প্রতিনিধি, ধুবুলিয়া: বুধবার রাতে ধুবুলিয়ার বটতলায় যুবককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল স্ত্রীর প্রথমপক্ষের স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃতের নাম মানবেন্দ্র দাস(৩৫)। ঘটনার পর থেকেই স্ত্রীর প্রথমপক্ষের স্বামী চঞ্চল রায় পলাতক। পুলিস মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে পাঠায়। মৃতের পরিবারের তরফে ধুবুলিয়া থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার ডিএসপি মত্তাকিনুর রহমান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে যুবকের দ্বিতীয়পক্ষের স্ত্রী পম্পা রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
Advertisement
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত মানবেন্দ্রর দু’টি বিয়ে। ২০১০সালে কৃষ্ণনগরের এক যুবতীর সঙ্গে তাঁর প্রথম বিয়ে হয়। তাঁদের এক মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে তাঁরা আলাদা থাকেন। যদিও তাঁদের মধ্যে এখনও ডিভোর্স হয়নি বলেই পরিবারের দাবি। বছর দুয়েক আগে ধৃত পম্পার সঙ্গে মানবেন্দ্রর সম্পর্ক তৈরি হয়। তাঁরা পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন বলে প্রতিবেশীদের দাবি। তাঁদের ছ’মাসের একটি ছেলে রয়েছে। পম্পারও এটি দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। খুনে অভিযুক্ত তার প্রথমপক্ষের স্বামী চঞ্চলকে খুঁজছে পুলিস। তাঁদের ১৩ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে।
জানা গিয়েছে, বছর দুয়েক আগে পম্পা মেয়েকে নিয়ে প্রথমপক্ষের স্বামীর সংসার ছেড়ে মানবেন্দ্রর কাছে চলে আসে। স্ত্রী হিসেবেই সংসার করছিল। মানবেন্দ্র কেবল লাইনে কাজ করতেন। তবে তিনি পম্পার মেয়েকে মেনে নিতে পারেননি। মাঝেমধ্যেই মানবেন্দ্র মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে অশান্তি করতেন। স্ত্রীকে মারধরও করতেন। স্ত্রী প্রথম স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে বলে সন্দেহও করতেন তিনি।
বুধবার বিকেল ৫টা নাগাদ মানবেন্দ্র বাড়ি ফিরে খাওয়াদাওয়া করেন। সন্ধ্যার দিকে পম্পা সন্তানকে নিয়ে ঘুরতে বের হন। তা নিয়ে আপত্তি করেন মানবেন্দ্র। স্ত্রী রাতের দিকে বাড়ি ফিরলে ফের অশান্তি শুরু হয়। বুধবার রাতেও স্ত্রীকে মারধর করেন। সেইসঙ্গে স্ত্রীর প্রথমপক্ষের মেয়েকেও মারেন। তৎক্ষণাৎ ওই নাবালিকা বাবা চঞ্চলকে ফোন করে মারধরের ব্যাপারে জানায়। চঞ্চল তখনই ধারালো অস্ত্র নিয়ে পম্পার বাড়ি আসে। ঘর থেকে কিছুটা দূরে গলির ভিতর মানবেন্দ্রকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিকবার কোপ মারে। ঘটনায় এলাকায় শোরগোল পড়লে নিজের মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যায় চঞ্চল। এলাকার লোকজন মানবেন্দ্রকে উদ্ধার করে ধুবুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গ্রেপ্তারের আগে পম্পা বলে, আমি চঞ্চলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলাম। শুধু মেয়ে আমার সঙ্গে থাকত। দু’বছর ধরে মানবেন্দ্রর সঙ্গে সংসার করছি। কিন্তু আমাকে ও সন্দেহ করত। আমার এখন একটা ছোট সন্তান আছে। কিন্তু ও বাবা বলে ডাকার আগেই মানবেন্দ্র চলে গেল। আমি চঞ্চলকে ডাকিনি। মেয়েই ওর বাবাকে ফোন করে মারধরের কথা জানিয়েছিল।
মৃত যুবকের জামাইবাবু প্রদীপ সেন বলেন, মানবেন্দ্রর দু’টি বিয়ে। প্রথমপক্ষের স্ত্রীর সঙ্গে ও থাকে না। এখনকার স্ত্রীর প্রথমপক্ষের স্বামী তার দলবল নিয়ে এসে মানবেন্দ্রকে খুন করেছে। আমরা থানায় অভিযোগ করেছি।
জানা গিয়েছে, বছর দুয়েক আগে পম্পা মেয়েকে নিয়ে প্রথমপক্ষের স্বামীর সংসার ছেড়ে মানবেন্দ্রর কাছে চলে আসে। স্ত্রী হিসেবেই সংসার করছিল। মানবেন্দ্র কেবল লাইনে কাজ করতেন। তবে তিনি পম্পার মেয়েকে মেনে নিতে পারেননি। মাঝেমধ্যেই মানবেন্দ্র মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে অশান্তি করতেন। স্ত্রীকে মারধরও করতেন। স্ত্রী প্রথম স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে বলে সন্দেহও করতেন তিনি।
বুধবার বিকেল ৫টা নাগাদ মানবেন্দ্র বাড়ি ফিরে খাওয়াদাওয়া করেন। সন্ধ্যার দিকে পম্পা সন্তানকে নিয়ে ঘুরতে বের হন। তা নিয়ে আপত্তি করেন মানবেন্দ্র। স্ত্রী রাতের দিকে বাড়ি ফিরলে ফের অশান্তি শুরু হয়। বুধবার রাতেও স্ত্রীকে মারধর করেন। সেইসঙ্গে স্ত্রীর প্রথমপক্ষের মেয়েকেও মারেন। তৎক্ষণাৎ ওই নাবালিকা বাবা চঞ্চলকে ফোন করে মারধরের ব্যাপারে জানায়। চঞ্চল তখনই ধারালো অস্ত্র নিয়ে পম্পার বাড়ি আসে। ঘর থেকে কিছুটা দূরে গলির ভিতর মানবেন্দ্রকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিকবার কোপ মারে। ঘটনায় এলাকায় শোরগোল পড়লে নিজের মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যায় চঞ্চল। এলাকার লোকজন মানবেন্দ্রকে উদ্ধার করে ধুবুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গ্রেপ্তারের আগে পম্পা বলে, আমি চঞ্চলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলাম। শুধু মেয়ে আমার সঙ্গে থাকত। দু’বছর ধরে মানবেন্দ্রর সঙ্গে সংসার করছি। কিন্তু আমাকে ও সন্দেহ করত। আমার এখন একটা ছোট সন্তান আছে। কিন্তু ও বাবা বলে ডাকার আগেই মানবেন্দ্র চলে গেল। আমি চঞ্চলকে ডাকিনি। মেয়েই ওর বাবাকে ফোন করে মারধরের কথা জানিয়েছিল।
মৃত যুবকের জামাইবাবু প্রদীপ সেন বলেন, মানবেন্দ্রর দু’টি বিয়ে। প্রথমপক্ষের স্ত্রীর সঙ্গে ও থাকে না। এখনকার স্ত্রীর প্রথমপক্ষের স্বামী তার দলবল নিয়ে এসে মানবেন্দ্রকে খুন করেছে। আমরা থানায় অভিযোগ করেছি।



