ধরমশালা: আইপিএলে এক সময়ের সতীর্থ। শ্রেয়স আয়ারের নেতৃত্বে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলেছেন ঋষভ পন্থ। এখন দু’জনেই ক্যাপিটালসের প্রাক্তনী। পন্থ লখনউয়ের ক্যাপ্টেন, আর শ্রেয়স পাঞ্জাবের। রবিবার ধরমশালায় তাই পাঞ্জাব কিংস বনাম লখনউ সুপার জায়ান্টস ম্যাচে আকর্ষণের কেন্দ্রে এই দুই তারকার দ্বৈরথ।
চলতি আইপিএলে পাঞ্জাব ও লখনউ দুই দলই শেষ চারে ওঠার দৌড়ে রয়েছে। ১০ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শ্রেয়স-ব্রিগেড রয়েছে চতুর্থ স্থানে। আর ষষ্ঠ স্থানে থাকা সুপার জায়ান্টসের সংগ্রহ ১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট। তবে ব্যক্তিগত ফর্মের নিরিখে এগিয়ে শ্রেয়সই। এখনও পর্যন্ত তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৫১.৪২ গড়ে ৩৬০ রান। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতেও ভরসা জোগাচ্ছেন তিনি। পক্ষান্তরে, পন্থ ১০ ম্যাচ পরও ফর্ম হাতড়ে বেড়াচ্ছেন। ১২ গড়ে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ১১০ রান। বলাই বাহুল্য, রবিবার চেনা ছন্দে ফিরতে মুখিয়ে থাকবেন এই তারকা উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
দু’দলের তুল্যমূল্য বিচারেও পাল্লা ভারী পাঞ্জাবের। ব্যাটিংয়ে শ্রেয়সের সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত করছেন প্রভসিমরন সিং, প্রিয়াংশ আর্যরা। এবারের আইপিএলের বড় প্রাপ্তি প্রিয়াংশ। ২৪ বছর বয়সি এই তরুণ তুর্কি ইতিমধ্যে শতরানও হাঁকিয়েছেন। ওপেনিংয়ে ঝড় তুলতে সক্ষম প্রভসিমরনও। এছাড়া নেহাল ওয়াধেরা, জস ইংলিস রানের মধ্যে আছেন। তবে আঙুলে চোট পেয়ে পুরো টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েছেন অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। বোলিংয়ে পেস বিভাগে পাঞ্জাবকে ভরসা জোগাচ্ছেন মার্কো জানসেন, অর্শদীপ সিং। যুজবেন্দ্র চাহালের মতো স্পিনারও যে কোনও দলের সম্পদ। অন্যদিকে, লখনউয়ের ব্যাটিংয়ের স্তম্ভ নিকোলাস পুরান। ১০ ম্যাচে ক্যারিবিয়ান তারকার ব্যাট থেকে এসেছে ৪০৪। এছাড়া মিচেল মার্শ, আইডেন মার্করাম, আয়ূষ বাদোনিও রানের মধ্যে আছেন। পেস বিভাগে ছন্দে আছেন শার্দূল ঠাকুর, আভেশ খান, মায়াঙ্ক যাদবরা। স্পিনে বড় ভরসা রবি বিষ্ণোই। এছাড়া তরুণ তুর্কি দিগবেশ রাঠিও নিয়মিত উইকেট পাচ্ছেন।