সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: দেহ উদ্ধারের পর ছ’দিন পার হলেও হেমতাবাদে শিশুকন্যা ও দম্পতির মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না। সম্পত্তির বিবাদে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে এমন অভিযোগ সামনে রেখে পুলিস তদন্ত শুরু করলেও এখনও কিনারা হয়নি। তবে একটি মোবাইলের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিস।
Advertisement
রবিবার রাতে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কেশবপুর গ্রামের দম্পতি কুতুবুদ্দিন আলী, পারভিন ও তাঁদের একমাত্র কন্যাসন্তানের দেহ উদ্ধার হয় একই ঘর থেকে। প্রাথমিকভাবে এই ঘটনায় সামনে আসে আত্মহত্যার তত্ত্ব। কিন্তু পরিবর্তীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদের কথা উঠে আসে।
ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী পুলিসের অনুমান, স্ত্রী, কন্যাকে হত্যা করে আত্মঘাতী হতে পারেন কুতুবুদ্দিন। সেক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনও ইস্যুতে বিবাদের জেরে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। বধূর পূর্ব পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি কুতুবুদ্দিনের প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলছে পুলিস।
শুক্রবার তিনদিনের জেরা শেষে কুতুবুদ্দিনের বাবা আফালুদ্দিনকে পুনরায় রায়গঞ্জ আদালতে পেশ করে পুলিস। রায়গঞ্জ আদালতের সরকারি আইনজীবী নিলাদ্রী সরকার বলেন, আফালুদ্দিনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
আদালতে যাওয়ার পথে আফালুদ্দিন বলেন, ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলাম না। বাড়ি ফিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাহায্যে ঘর খুলে তিনজনের মৃতদেহ দেখতে পাই। বউমার দেহ বিছানায় পড়েছিল। ছেলের দেহ সিলিং থেকে ও নাতনির দেহ আলনা থেকে ঝুলছিল। বউমার মুখে রক্ত লেগে ছিল।
হেমতাবাদ থানার আইসি সুজিত লামা বলেন, তদন্তে একাধিক সূত্র মিলেছে। তবে শেষ না হলে কিছু বলা সম্ভব নয়। মোবাইল পেলে আরও কিছু তথ্য পাওয়া যাবে।
ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী পুলিসের অনুমান, স্ত্রী, কন্যাকে হত্যা করে আত্মঘাতী হতে পারেন কুতুবুদ্দিন। সেক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনও ইস্যুতে বিবাদের জেরে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। বধূর পূর্ব পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি কুতুবুদ্দিনের প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলছে পুলিস।
শুক্রবার তিনদিনের জেরা শেষে কুতুবুদ্দিনের বাবা আফালুদ্দিনকে পুনরায় রায়গঞ্জ আদালতে পেশ করে পুলিস। রায়গঞ্জ আদালতের সরকারি আইনজীবী নিলাদ্রী সরকার বলেন, আফালুদ্দিনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
আদালতে যাওয়ার পথে আফালুদ্দিন বলেন, ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলাম না। বাড়ি ফিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাহায্যে ঘর খুলে তিনজনের মৃতদেহ দেখতে পাই। বউমার দেহ বিছানায় পড়েছিল। ছেলের দেহ সিলিং থেকে ও নাতনির দেহ আলনা থেকে ঝুলছিল। বউমার মুখে রক্ত লেগে ছিল।
হেমতাবাদ থানার আইসি সুজিত লামা বলেন, তদন্তে একাধিক সূত্র মিলেছে। তবে শেষ না হলে কিছু বলা সম্ভব নয়। মোবাইল পেলে আরও কিছু তথ্য পাওয়া যাবে।



