Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দেহ না দেওয়ার অভিযোগ তুলে দুর্গাপুরের বিধাননগর ফাঁড়িতে বিক্ষোভ

দেহ না দেওয়ার অভিযোগ তুলে দুর্গাপুরের বিধাননগর ফাঁড়িতে বিক্ষোভ
  • ২ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: শনিবার দুর্গাপুরের বিধাননগর পুলিস ফাঁড়িতে বিক্ষোভ দেখালেন দুর্ঘটনায় মৃত এক যুবকের পরিবারের লোকজন। পরিবারের হাতে দেহ দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ তোলা হয়। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ভিড়িঙ্গিতে ১৯নম্বর জাতীয় সড়কে বৃহস্পতিবার পুলিসের গাড়ির সাথে একটি পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষ হয়। পিকআপ ভ্যানের চালক সোমনাথ পরামানিক(২৭) মারা যান। তাঁর বাড়ি আসানসোলের সালানপুর থানা এলাকায়। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, পুলিস চালকের পরিচয় জানা সত্বেও অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে তাঁর মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করেছে। ঘটনার দু’দিন পার হয়ে গেলেও মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে না। যদিও পুলিসের দাবি, ময়নাতদন্তের পরেই মৃতের পরিচয় জানা গিয়েছে। 
Advertisement
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১টা নাগাদ মাছ আনতে সোমনাথ পিকআপ ভ্যান চালিয়ে হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেন। রাত ৩টে নাগাদ দুর্গাপুরে ওয়ারিয়া ফাঁড়ির একটি গাড়ির সঙ্গে ওই পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষ হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় পুলিস সোমনাথকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করলে তাঁর মৃত্যু হয়। শুক্রবার অজ্ঞাতপরিচয় দেহ হিসেবে মৃতদহের ময়নাতদন্ত হয়। মৃতের বোন সীমা পরামানিক বলেন, শুক্রবার দুপুরে পুলিস ঘটনার কথা জানিয়েছে। আমরা হাসপাতালে এসে জানতে পারি, দাদার দেহের ময়নাতদন্ত হয়ে গিয়েছে। পুলিস দাদার নাম জানা সত্ত্বেও অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে ময়নাতদন্ত করিয়েছে। আমাদের মনে হয়, পুলিস দাদাকে মারধর করেছে। আমাদের মৃতদেহ দেওয়া হচ্ছে না। যদিও পুলিস এই অভিযোগ মানতে চায়নি। এসিপি(দুর্গাপুর) সুবীর রায় বলেন, ওই পিকআপ ভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুলিসের গাড়িতে ধাক্কা মেরেছে, তার প্রমাণ আছে। ওই চালকের পরিবারের খোঁজ পেতে দেরি হয়েছিল। পরিবারের লোকজন কোনও অভিযোগ এখনও দায়ের করেননি। আমরা স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছি।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ