সংবাদদাতা, কাঁথি: বুধবার ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিন সৈকতশহর দীঘার হোটেলে আসানসোলের এক যুবতীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল। এদিন সকালে নিউ দীঘার একটি হোটেলে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। মৃতার নাম প্রীতি কাউর (২০)। বাড়ি আসানসোলের উত্তর নারায়ণপুর এলাকায়। এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে প্রাথমিকভাবে পুলিসের অনুমান। পুলিস মৃতার বাপেরবাড়ির লোকজনকে খবর পাঠিয়েছে। তাঁর স্বামী প্রীতম ঠাকুরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে আত্মহত্যা বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিস মনে করছে। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, সপ্তাহ দু’য়েক আগে মন্দারমণির রিসর্টে বেড়াতে এসে উত্তর ২৪পরগনার আমডাঙার তৃণমূল নেতা আবুল নাসারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। তার রেশ কাটতে না কাটতেই বর্ষবরণের আনন্দের মধ্যেই দীঘায় পর্যটকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হল।
Advertisement
গত সোমবার স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে আসেন প্রীতি। তাঁরা নিউ দীঘার একটি হোটেলে ওঠেন। হোটেলকর্মীরা জানান, তারপর থেকে সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। মঙ্গলবার বর্ষশেষের রাতে স্বামী-স্ত্রী দু’জনে হোটেল থেকে বের হন। রাতে ফিরেও আসেন। এরপর এদিন সকালে স্ত্রীকে সিলিং ফ্যানে কাপড়ের ফাঁসে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্বামী। তিনি হোটেলকর্মীদের বিষয়টি জানান। এরপর হোটেল কর্তৃপক্ষ দীঘা থানায় খবর দেন। পুলিস ওই যুবতীকে উদ্ধার করে দীঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান। দীঘা কোস্টাল থানার পুলিস দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। তবে ওই যুবতী যদি নিজে ফাঁস লাগান, সেইসময় স্বামী কী করছিলেন, বাধা দেননি কেন তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। উত্তর খুঁজছে পুলিস। স্বামীর ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ডিএসপি(ডিঅ্যান্ডটি) আবু নুর হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে আমাদের ধারণা। তবে আমরা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছি। মৃতার বাপেরবাড়ির লোকজন কোনও অভিযোগ জানালে সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে। আপাতত অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা চলছে।
ডিএসপি(ডিঅ্যান্ডটি) আবু নুর হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে আমাদের ধারণা। তবে আমরা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছি। মৃতার বাপেরবাড়ির লোকজন কোনও অভিযোগ জানালে সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে। আপাতত অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা চলছে।



