সংবাদদাতা, কাঁথি: দীঘা মোহনা সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ রাস্তার পাশে মৎস্য দপ্তরের জলাশয়গুলিতে পাখির দল ফিরছে। গতবছর জলাশয়গুলি সংস্কারের জন্য শীতের মরশুমেও সেভাবে পাখির দেখা মেলেনি। তবে এবার ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি আসতে শুরু করেছে। আবার পাখির দল ফেরায় পক্ষীপ্রেমীরা খুশি।
Advertisement
উল্লেখ্য, দীঘায় মৎস্য দপ্তরের জলাশয়গুলিতে মাছ চাষ করে পশ্চিমবঙ্গ মৎস্য উন্নয়ন নিগম। সেই জলাশয়গুলিতে প্রতিবছর নভেম্বর মাস থেকে দেশীয় পাখির পাশাপাশি নানা প্রজাতির পরিযায়ী পাখি ভিড় জমাতে শুরু করে। প্রতিবারই শীতের মরশুমে ওই জলাশয়গুলিতে দেশি ও পরিযায়ী পাখি হাজির হয়ে যায়। পানকৌড়ি, শামুকখোল, কাদাখোঁচা, বক থেকে শুরু করে নানা দেশীয় পাখি যেমন আসে, তেমনি সুদূর সাইবেরিয়া, তিব্বত থেকেও পরিয়ায়ী পাখিরাও আসে। হাজার হাজার দেশি ও পরিযায়ী পাখির কলকাকলি ও কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত থাকে। পাখিগুলি জলাশয় সংলগ্ন গাছে বাসা বাঁধে এবং জলাশয় থেকে তাদের খাবার সংগ্রহ করে। সেই পাখির বিচরণ দেখতে ভিড় জমান পর্যটক এবং পক্ষীপ্রেমী মানুষজন।
এদিকে পাখিদের দর্শনের জন্য ওই এলাকাটিকে ‘বার্ড ভিউ পয়েন্ট’ নাম দিয়েছে জেলা বনদপ্তর। পাখিদের নিরাপত্তার স্বাথে একাধিক বোর্ড ও পোস্টার লাগিয়েছে দপ্তর। সেখানে পর্যটক সহ সকলের পরিযায়ী পাখি দেখার ব্যবস্থা ও পাখিদের নাম সহ পরিচিতির ব্যবস্থা করা হয়েছে। বলে দেওয়া হয়েছে, এটা পাখিদের বিচরণের জায়গা। কেউ যাতে এখানে হই-হট্টগোল কিংবা পাখি শিকার না করে। শুধু তাই নয়, পর্যটক কিংবা পক্ষীপ্রেমী মানুষজন যাতে পাখিদের কোলাহল উপভোগ করতে পারেন, তার জন্য মেরিনড্রাইভ রাস্তার পাশে বেশকিছু কংক্রিটের চেয়ার বসিয়েছে উন্নয়ন সংস্থা। তাঁরা সেখানে বসে পাশাপাশি পাখিদের বিচরণ দেখে সময় কাটান। সঙ্গে সমুদ্রতীরবর্তী নির্জন এই এলাকায় প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ উপরি পাওনা।
কিন্তু গতবছর ছবিটা বদলাতে শুরু করে। মৎস্যদপ্তর ওই সমস্ত জলাশয়গুলির জল শুকিয়ে খননের কাজ শুরু করেছিল। কারণ জলাশয়গুলি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে মজে গিয়েছিল। ফলে শীতের মরশুম হলেও শীতের অতিথিদের দেখা মেলেনি। এনিয়ে পর্যটকরা কিংবা পক্ষীপ্রেমী মানুষজন হতাশ ছিলেন। শীতের মরশুম শুরু হতেই অনেকে পাখি দেখার জন্য সেখানে গিয়েও আশাহত হয়ে ফিরে এসেছেন। তবে জলাশয় সংস্কারের পর আবার পুরনো চিত্র ফিরতে শুরু করেছে। জলাশয়গুলিতে পাখিদের আনাগোনা ক্রমশ বাড়ছে। আর সকালে কিংবা বিকেলে পাখিদের কলকাকলিতে ভরে ওঠে মেরিনড্রাইভ সহ সংলগ্ন এলাকা। যার টানে পক্ষীপ্রেমী মানুষজন সহ পর্যটকরা আবার ভিড় জমাতে শুরু করেছেন। এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ সহ পাখিদের কলতান উপভোগ করছেন।
পশ্চিমবঙ্গ মৎস্য উন্নয়ন নিগমের দীঘা বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, ২৯ হেক্টর এলাকাজুড়ে জলাশয় খনন হয়েছিল। তাই জল শুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাই পাখিদের দেখা মেলেনি। এখন পাখিরা আবার আসছে। তবে মাছ চাষ পুরোদমে শুরু হলে জলাশয়গুলিতে আগের মতোই প্রচুর পাখির ভিড় জমতে শুরু করবে বলে আমরা আশাবাদী। এবিষয়ে জেলা বন আধিকারিক সত্যজিৎ রায় বলেন, দীঘার ওই অংশে জলাশয়গুলি পাখিদের ‘আস্তানা’। পাখিদের সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো হবে। আরও পাখি যাতে আসে, তাই নিয়ে পরিকল্পনা চলছে। নতুন বছরের গোড়ায় দীঘা সহ অন্যান্য এলাকায় পাখি-সুমারি হবে। তারপর পরিকল্পনা রূপায়ণের কাজে হাত দেওয়া হবে।
এদিকে পাখিদের দর্শনের জন্য ওই এলাকাটিকে ‘বার্ড ভিউ পয়েন্ট’ নাম দিয়েছে জেলা বনদপ্তর। পাখিদের নিরাপত্তার স্বাথে একাধিক বোর্ড ও পোস্টার লাগিয়েছে দপ্তর। সেখানে পর্যটক সহ সকলের পরিযায়ী পাখি দেখার ব্যবস্থা ও পাখিদের নাম সহ পরিচিতির ব্যবস্থা করা হয়েছে। বলে দেওয়া হয়েছে, এটা পাখিদের বিচরণের জায়গা। কেউ যাতে এখানে হই-হট্টগোল কিংবা পাখি শিকার না করে। শুধু তাই নয়, পর্যটক কিংবা পক্ষীপ্রেমী মানুষজন যাতে পাখিদের কোলাহল উপভোগ করতে পারেন, তার জন্য মেরিনড্রাইভ রাস্তার পাশে বেশকিছু কংক্রিটের চেয়ার বসিয়েছে উন্নয়ন সংস্থা। তাঁরা সেখানে বসে পাশাপাশি পাখিদের বিচরণ দেখে সময় কাটান। সঙ্গে সমুদ্রতীরবর্তী নির্জন এই এলাকায় প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ উপরি পাওনা।
কিন্তু গতবছর ছবিটা বদলাতে শুরু করে। মৎস্যদপ্তর ওই সমস্ত জলাশয়গুলির জল শুকিয়ে খননের কাজ শুরু করেছিল। কারণ জলাশয়গুলি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে মজে গিয়েছিল। ফলে শীতের মরশুম হলেও শীতের অতিথিদের দেখা মেলেনি। এনিয়ে পর্যটকরা কিংবা পক্ষীপ্রেমী মানুষজন হতাশ ছিলেন। শীতের মরশুম শুরু হতেই অনেকে পাখি দেখার জন্য সেখানে গিয়েও আশাহত হয়ে ফিরে এসেছেন। তবে জলাশয় সংস্কারের পর আবার পুরনো চিত্র ফিরতে শুরু করেছে। জলাশয়গুলিতে পাখিদের আনাগোনা ক্রমশ বাড়ছে। আর সকালে কিংবা বিকেলে পাখিদের কলকাকলিতে ভরে ওঠে মেরিনড্রাইভ সহ সংলগ্ন এলাকা। যার টানে পক্ষীপ্রেমী মানুষজন সহ পর্যটকরা আবার ভিড় জমাতে শুরু করেছেন। এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ সহ পাখিদের কলতান উপভোগ করছেন।
পশ্চিমবঙ্গ মৎস্য উন্নয়ন নিগমের দীঘা বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, ২৯ হেক্টর এলাকাজুড়ে জলাশয় খনন হয়েছিল। তাই জল শুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাই পাখিদের দেখা মেলেনি। এখন পাখিরা আবার আসছে। তবে মাছ চাষ পুরোদমে শুরু হলে জলাশয়গুলিতে আগের মতোই প্রচুর পাখির ভিড় জমতে শুরু করবে বলে আমরা আশাবাদী। এবিষয়ে জেলা বন আধিকারিক সত্যজিৎ রায় বলেন, দীঘার ওই অংশে জলাশয়গুলি পাখিদের ‘আস্তানা’। পাখিদের সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো হবে। আরও পাখি যাতে আসে, তাই নিয়ে পরিকল্পনা চলছে। নতুন বছরের গোড়ায় দীঘা সহ অন্যান্য এলাকায় পাখি-সুমারি হবে। তারপর পরিকল্পনা রূপায়ণের কাজে হাত দেওয়া হবে।



