নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: রাজ্য সরকারের পাট্টা দেওয়া জমি লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে হাতবদল হচ্ছে। জমি মাফিয়াদের হাত ঘুরে ব্যবসায়ীদের দখলে চলে যাচ্ছে ওই জমি। তারপর সেই জমিতে গড়ে উঠছে হোটেল, লজ, দোকান। দীঘা ও মন্দারমণির পার্শ্ববর্তী এলাকায় এই ঘটনায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। ওইসব পাট্টা প্রাপকদের থেকে জমি ফিরিয়ে নেওয়া হবে। তারপর সেই জমি ১নম্বর খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন পাট্টা প্রাপককে এনিয়ে নোটিস ইস্যু করা হয়েছে। কাঁথি মহকুমা শাসক অফিসে তাঁদের শুনানি হবে। সেখানে জমির পাট্টা এবং নিজেদের পক্ষে জমি দখলে আছে কি না যাচাই করা হবে। তারপরই পাট্টা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
Advertisement
সম্প্রতি রামনগর-২ ব্লকে মন্দারমণি সংলগ্ন দাদনপাত্রবাড় মৌজায় ২৮৪জেএল নম্বরে ৭৫০প্লট নম্বরে বেআইনি নির্মাণকাজ চোখে পড়ে। ওই জমি স্থানীয় বীরেন মান্না, সন্তোষ মান্না ও সুবোধ মান্নাকে পাট্টা দিয়েছিল ভূমি দপ্তর। ওটা কৃষি জমি। চাষাবাদের জন্য সরকার পাট্টা দিয়েছিল। অথচ, সেই জমি বেআইনিভাবে হাতবদল হয়। তারপর পাট্টা পাওয়া কৃষি জমিতেই নির্মাণকাজ হয়। সম্ভবত হোটেল এবং দোকানঘর তৈরির কাজ চলছে। খবর পাওয়ামাত্র ভূমি দপ্তরের পক্ষ থেকে জমির চরিত্র খতিয়ে দেখা হয়। কৃষি জমিতেই নির্মাণকাজ হচ্ছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করেন ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার অফিসার।
জানা গিয়েছে, রামনগর-১ ও ২ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় এভাবে পাট্টা জমি হাতবদল হচ্ছে। সরকারি নিয়মে পাট্টা জমি হস্তান্তরযোগ্য নয়। কিন্তু, সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে স্ট্যাম্প পেপারে লিখে অরিজিনাল পাট্টা কব্জা করে নিচ্ছে। ফলে জমি দখল অন্যের হাতে চলে যাচ্ছে। সেই জমিতে বড় বড় নির্মাণ কাজ চলছে। কেউ হোটেল, আবার কেউ লজ কিংবা দোকানঘর বানাচ্ছেন। মন্দারমণি সংলগ্ন এলাকায় এই প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে। স্থানীয় ব্লক ভূমি দপ্তর বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আনে। এনিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে জেলা প্রশাসন। ওইসব পাট্টা বাতিল করা হবে। সেজন্য বেশ কয়েকজনকে নোটিস দেওয়া হয়েছে।
জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী বলেন, গরিব মানুষকে পাট্টা দেওয়া হয়। সেই জমি হস্তান্তরযোগ্য নয়। অথচ, উপকূল এলাকায় সেই পাট্টা জমি বেআইনিভাবে হাত বদল হয়ে যাচ্ছে। খুবই দুঃখের বিষয়। আমরা এইসব জমি চিহ্নিত করে পাট্টা প্রাপকদের নোটিস দিচ্ছি। তাদের নিয়ে শুনানি হবে। তারপর পাট্টা ফেরত নেওয়ার মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
জানা গিয়েছে, রামনগর-১ ও ২ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় এভাবে পাট্টা জমি হাতবদল হচ্ছে। সরকারি নিয়মে পাট্টা জমি হস্তান্তরযোগ্য নয়। কিন্তু, সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে স্ট্যাম্প পেপারে লিখে অরিজিনাল পাট্টা কব্জা করে নিচ্ছে। ফলে জমি দখল অন্যের হাতে চলে যাচ্ছে। সেই জমিতে বড় বড় নির্মাণ কাজ চলছে। কেউ হোটেল, আবার কেউ লজ কিংবা দোকানঘর বানাচ্ছেন। মন্দারমণি সংলগ্ন এলাকায় এই প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে। স্থানীয় ব্লক ভূমি দপ্তর বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আনে। এনিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে জেলা প্রশাসন। ওইসব পাট্টা বাতিল করা হবে। সেজন্য বেশ কয়েকজনকে নোটিস দেওয়া হয়েছে।
জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী বলেন, গরিব মানুষকে পাট্টা দেওয়া হয়। সেই জমি হস্তান্তরযোগ্য নয়। অথচ, উপকূল এলাকায় সেই পাট্টা জমি বেআইনিভাবে হাত বদল হয়ে যাচ্ছে। খুবই দুঃখের বিষয়। আমরা এইসব জমি চিহ্নিত করে পাট্টা প্রাপকদের নোটিস দিচ্ছি। তাদের নিয়ে শুনানি হবে। তারপর পাট্টা ফেরত নেওয়ার মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



