Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তুলো কারখানায় বিধ্বংসী আগুন, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন

তুলো কারখানায় বিধ্বংসী আগুন, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন
  • ১০ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানিকচক: তুলো কারখানায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল লক্ষাধিক টাকার কাঁচামাল সহ যন্ত্রপাতি। বুধবার সাতসকালে ঘটনাটি ঘটে মানিকচকের নুরপুরে।

Advertisement

বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রাজ্য সড়কের ধারেই রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা মহম্মদ মেনাজুলের তুলোর কারখানা। কাজ চলার সময় হঠাৎ করে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে আসে মানিকচক থানার পুলিস। প্রায় এক ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। 
প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছিল। মেনাজুলের দাবি, আগুনে কারখানার যন্ত্রাংশ সহ প্রায় ১৪ লক্ষ টাকার কাঁচামাল নষ্ট হয়েছে। গত এক মাসে প্রায় ১০টির বেশি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে মানিকচকে। 
গত সপ্তাহে মথুরাপুরের হাটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে  অগ্নিনির্বাপণের কোনও ব্যবস্থা ছিল না সেখানে। 
এদিন নুরপুরের ঘটনাতেও দেখা যায় একই ছবি। অগ্নিকাণ্ডের সময় স্থানীয়রা পার্শ্ববর্তী জায়গা থেকে জলের ট্যাংকের সাহায্যে আগুন নেভালেও কারখানার কোনও ব্যবস্থা ছিল না। স্থানীয় বাসিন্দা আমিরুল হক বলেন, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও এই সব কারখানা চলছে। ঠিক পাশেই একটি বেসরকারি শিশুশিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। প্রশাসনের নজরদারির অভাব থাকায় এই সমস্ত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।
যদিও কারখানার মালিক মহম্মদ মেনাজুল বলেন, প্রশাসনিক অনুমতি নিয়ে কারখানা চালানো হচ্ছে। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকলেও এদিন আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় ব্যবহার করা যায়নি।
এবিষয়ে মানিকচকের বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বলেন, প্রশাসনিক বৈঠক করে মানিকচকের ছোট, বড় সমস্ত কারখানা ও ব্যবসায়ীরা কী ধরনের অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা রেখেছেন, সেসব খতিয়ে দেখতে বলা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ